অনুভূতিমূলক পোস্ট |||হঠাৎ অসুস্থতা ||| original writing by @saymaakter
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই সুস্থ সুন্দরভাবে দিনগুলো অতিক্রম করছেন। আমি আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।

source
বরাবরের মতো আবারও হাজির হলাম আপনাদের মাঝে নতুন আরেকটি ব্লগ নিয়ে। আজ আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি একটু ব্যতিক্রম ধরনের ব্লগ নিয়ে। জীবনটা অনেক কঠিন এবং অদ্ভুত আমাদের এই ছোট্ট জীবনে কত ঝড় বৃষ্টি কত সংগ্রাম করে চলতে হয়। যদিও অসুস্থতা কখনকার কোন সময় আসে আমরা কেউ বলতে পারি না। আজ আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি "হঠাৎ অসুস্থতা" নিয়ে।
বেশ কিছুদিন হল ভালই ছিলাম।হঠাৎ কেন জানি এত অসুস্থতার ভিতরে পড়ে গেলাম ঠিক বুঝতে পারছি না। আসলে সব কিছুর একটি নিয়ম আছে। আমাদের জীবনে সবকিছুই যদি নিয়মের ভিতরে করি তাহলে কোন কিছুই আর সমস্যার সম্মুখীন হয় না। কিন্তু এত নিয়মের ভেতরে চললেও মাঝে মাঝে অনিয়ম হয়ে যায়। এটা শুধু আমার না প্রত্যেকটি পরিবারের গৃহিণীর হয়ে থাকে। আমি যখন নিয়মমাফিক চলি নিয়মমাফিক গোসল করি খাওয়া-দাওয়া করি তখন আমি অনেকটাই সুস্থ থাকি।
কিন্তু যখন কাজের চাপ পড়ে যায় তখন সব কাজগুলো নিজেকেই ম্যানেজ করে নিতে হয়। আর কাজগুলা করতে যখন দেরি হয় সব নিয়ম মানা হয় না তখনই সমস্যার সম্মুখীন হই। কিন্তু মনে হয় কাজগুলো তাড়াতাড়ি কমপ্লিট করেই গোসল খাওয়া-দাওয়া শারীরিক যত্ন পরে করব।আর এই পরে করব এটাই অসুস্থতার মূল কারণ। কিছুদিন আগেও প্রচন্ড অসুস্থ ছিলাম এবং ডাক্তারের কাছে গিয়ে আল্ট্রা ব্লাড সব পরীক্ষা করার পর ডাক্তার বলেছে সব সময় নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে। নিয়মের বাইরে চললেই অসুস্থ হব ঠিক তাই হয়ে গেলাম। এই অসুস্থতার মাঝেও একটু অনিয়ম হয়ে গেছে সেটা হলো চুলে আবার মেহেদী দিয়েছিলাম যার কারণে ঠান্ডার চাপ আরো বেশি মারাত্মক হয়ে গেছে।মাথায় এতটা ব্যথা যে একটু কাসি দিলে মাথা প্রচন্ড ভাবে ধরে।
লেবু পানি বিভিন্ন রকমের মসলা লং গোলমরিচ এগুলো দিয়েও দুই তিনবার করে লাল চা খাচ্ছি এবং সেই সাথে ঔষধ ও খাচ্ছি।এলার্জির পরিমাণ এতটা বেড়েছে যে হাঁচি করতে করতে জীবন শেষ।ফোনের দিকেও বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারছি না তার পরেও শুয়ে শুয়ে চেষ্টা করেছি বাংলা ব্লগে একটি পোস্ট লেখার জন্য।তবে একটি কথাই বলবো সবাই নিয়মের মধ্যে থাকুন আমার মত মাঝে মাঝে অনিয়মে সময় পার করলে হয়তোবা এরকম অসুস্থ থাকতে হবে।আসলে সংসারের কাজ করতে করতে অনেক সময় মেয়েরা নিজেদের যত্নের কথাই ভুলে যায় সংসারের মায়া ভীষণ মায়া।
এই মায়া থেকে বেরিয়ে আসা অনেক কঠিন। পরিবারের সবার যত্ন সবার কথা ভেবে নিজেকে যদি ভুলে যাওয়া হয় তাহলে অনেক সমস্যা হতে পারে। তাইতো আমাদের সকলের উচিত সবার চিন্তা মাথায় রেখে নিজের কথাটাও মাথায় রাখা।আমরা মেয়েরা কাজ করতে করতে ভুলে যাই সময় পার হচ্ছে। নিজের দিকেও তাকাতে হবে নিজেরও যত্ন করতে হবে।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হতে পারি। আপনাদের জন্য ও দোয়া রইল আপনারা সবাই সুস্থ থাকবেন এবং পরিবারকে নিয়ে সুন্দরভাবে দিনগুলো অতিক্রম করেন।
আমার পরিচয়
আমি মোছাঃ সায়মা আক্তার।আমি একজন ব্লগার, উদ্যোক্তা।কবিতা লিখতে, নতুন কোনো রেসিপি তৈরি করতে এবং নতুন নতুন ডিজাইন সৃষ্টি করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।আমি উদ্যোক্তা জীবনে সব সময় গ্রামের অবহেলিত মহিলাদের নিয়ে কাজ করি।আর এই অবহেলিত মহিলাদের কাজ নিয়ে দেশের স্বনামধন্য কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রোভাইড করি এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমানে বিদেশেও রপ্তানি করছি।আর এসব কিছুর পিছনে আমার এই অবহেলিত মহিলাদের উৎসহ এবং উদ্দীপনায় সম্ভব হয়েছে।তাই সব সময় আমি অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে এবং অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে খুব ভালো লাগে।এজন্যই সব সময় অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি এবং তাদের সহযোগিতায় নিজেকে সব সময় সম্পৃক্ত রাখি।আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে স্টিমিটে যুক্ত হই।আমার বাংলা ব্লগে শুরু থেকে আছি এবং এখন পর্যন্ত আমার বাংলা ব্লগেই ব্লগিং করে যাচ্ছি।
🇧🇩আল্লাহ হাফেজ🇧🇩



