প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ ( পর্ব ১১ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে 'প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ' গল্পের একাদশ পর্ব শেয়ার করে নেবো। তো সেই কন্ঠস্বর ছিল- আলো জ্বালিও না, তিনজনই চমকে উঠল। শব্দটা খুব কাছে থেকে এসেছে। মনে হলো যেন তাদের ঠিক পাশেই কেউ দাঁড়িয়ে আছে। অরিন্দম তখন সাহস করে বলল- কে তুমি? কয়েক সেকেন্ড নীরবতা, তারপর উত্তর এল- আমি প্রহরী। কিসের প্রহরী? যাদের বন্দি করা হয়েছে... তাদের। শব্দগুলো যেন ঠান্ডা বাতাসের মতো তাদের শরীর ভেদ করে গেল।মেঘলা কাঁপা গলায় বলল- এখানে কারা বন্দি?কিছুক্ষণ কোনো উত্তর এল না। তারপর খুব ধীরে ধীরে কণ্ঠস্বরটি বলল- যাদের নাম ইতিহাস ভুলে গেছে...ঠিক তখনই অরিন্দমের টর্চ হঠাৎ জ্বলে উঠল।
এক মুহূর্তের জন্য, মাত্র এক সেকেন্ড। কিন্তু সেই এক সেকেন্ডেই তারা যা দেখল, তা কোনোদিন ভুলতে পারবে না। তাদের থেকে মাত্র দশ ফুট দূরে দাঁড়িয়ে ছিল সেই বিশাল অবয়ব। আট ফুটেরও বেশি লম্বা, মুখ ঢাকা, কালো পোশাক। আর তার চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে অসংখ্য ছায়ামূর্তি। শত শত পুরুষ, নারী, বৃদ্ধ, শিশু। সবাই যেন ধোঁয়ার তৈরি। তাদের চোখ ফাঁকা, মুখে যন্ত্রণার ছাপ। তারপর আবার অন্ধকার। রাহুল প্রায় চিৎকার করে উঠল- ওগুলো কী ছিল? কোনো উত্তর নেই। পরের মুহূর্তেই সব কান্নার শব্দ থেমে গেল। নেমে এল ভয়ঙ্কর নীরবতা। মনে হচ্ছিল পুরো পৃথিবীতে আর কোনো জীবিত প্রাণী নেই। হঠাৎ একটা ঠান্ডা বাতাস বয়ে গেল। তারপর টর্চগুলো একে একে জ্বলে উঠল। আলো ফিরে আসতেই তারা চারদিকে তাকাল।.....
