প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ ( পর্ব ২ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে 'প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ' গল্পের দ্বিতীয় পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর সেদিন সন্ধ্যায় বাড়ির পুরোনো ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে সে বাক্সটি খুঁজে পেল।বাক্সটির উপর ধুলো জমে ছিল। আর কাঠের গায়ে অদ্ভুত সব নকশা খোদাই করা। এরপর অরিন্দম সাবধানে তালা খুলল এবং ভেতরে ছিল একটি পুরোনো চামড়ার খাম। খাম খুলতেই বেরিয়ে এল একটি হলদে রঙের কাগজ। কাগজটি আসলে ছিল একটি মানচিত্র, কিন্তু সাধারণ মানচিত্র নয়। তার উপর আঁকা ছিল কালভৈরবের মন্দিরের ছবি। মন্দিরের মূল গর্ভগৃহ, ভগ্ন স্তম্ভ, প্রাঙ্গণ- সবকিছুই চিহ্নিত করা ছিল। কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় ছিল মন্দিরের নিচে আঁকা একটি গোলাকার অংশ, সেখানে লাল কালি দিয়ে লেখা- "গোপন কক্ষ"।
অরিন্দমের বুকের ভেতর ধুকপুক শব্দ বেড়ে গেল। এরপর সে আরও মনোযোগ দিয়ে মানচিত্রটি পরীক্ষা করতে লাগল। এক কোণায় অদ্ভুত কিছু প্রতীক আঁকা ছিল। প্রথমে সেগুলো অর্থহীন মনে হলেও পরে সে বুঝতে পারল, এগুলো সম্ভবত কোনো সাংকেতিক ভাষা। আরেকটি বাক্য লেখা ছিল- চতুর্থ স্তম্ভের ছায়া যখন দেবমূর্তির চরণ স্পর্শ করবে, তখনই পথ খুলবে। অরিন্দম বাক্যটি পড়ে হতবাক হয়ে গেল, ঠিক তখনই তার মা ঘরে ঢুকল এবং বললো- কী দেখছিস এত মন দিয়ে? অরিন্দম তাড়াতাড়ি কাগজটি ভাঁজ করে ফেলল আর পরে বললো- কিছু না, পুরোনো একটা কাগজ। মা দীর্ঘশ্বাস ফেলল- তোর দাদুও এই মন্দির নিয়ে খুব পড়াশোনা করত। শেষ জীবনে যেন ওটার রহস্যই ওকে গ্রাস করে নিয়েছিল। অরিন্দম কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করল-......

গল্পের দ্বিতীয় পর্বটি খুবই রহস্যময় এবং রোমাঞ্চকর হয়েছে! কালভৈরবের মন্দির আর গোপন কক্ষের মানচিত্রের বিষয়টি বেশ কৌতূহল বাড়িয়ে দিল। অরিন্দমের সাথে সাথে পাঠক হিসেবেও শেষটা জানার আগ্রহ বেড়ে গেল। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম!