বন্ধ ঘরের ভেতরের শব্দ ( পর্ব ২০ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে "বন্ধ ঘরের ভেতরের শব্দ" গল্পের ২০ তম পর্ব শেয়ার করে নেবো।এরপর সে নিচ থেকে তাকিয়ে হাসছে। তারপর ঠোঁট নাড়ল, কিন্তু কোনো শব্দ নেই। কিন্তু ঈশান স্পষ্ট বুঝতে পারল সে কী বলছে- দাদা... আমাকে ওপরে তুলে নাও...ঈশান ভয়ে পিছিয়ে এল। ঠিক সেই মুহূর্তে কুয়োর ভেতর থেকে ছোট্ট একটা হাত ওপরে উঠল। তারপর আরেকটা, তারপর আরও অনেকগুলো। শত শত ছোট ছোট হাত। সবগুলো একসঙ্গে কুয়োর দেওয়াল বেয়ে ওপরে উঠতে চাইছে। ঈশান আতঙ্কে পিছিয়ে চিৎকার করে উঠল। কিন্তু চোখের পলক পড়তেই সব মিলিয়ে গেল। কুয়ো আবার আগের মতো- নিঃশব্দ এবং খালি। হরিদা গম্ভীর গলায় বললেন- ওরা এখন তোমাকে দেখতে পাচ্ছে। মানে? আগে শুধু তোমার গলা শুনত।
এখন তোমার মুখও দেখে ফেলেছে। ঈশান স্তব্ধ। হরিদা ধীরে ধীরে বললেন- এবার থেকে সাবধানে থাকবে। কেন? বৃদ্ধ তার দিকে তাকিয়ে বললেন- আজ রাতের পর এই বাড়িতে তোমার মতো দেখতে আরেকজন ঘুরে বেড়াবে। ঈশান কিছু বলার আগেই দূরের বারান্দা থেকে কারও হাঁটার শব্দ ভেসে এল। দুজনেই একসঙ্গে তাকাল। বারান্দার শেষ প্রান্তে একজন মানুষ দাঁড়িয়ে। তার মুখ দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু তার গায়ে ঈশানেরই জামা। তার উচ্চতা ঈশানের মতো এবং তার দাঁড়ানোর ভঙ্গিও ঠিক একই। ধীরে ধীরে সে মাথা তুলল আর হারিকেনের কাঁপতে থাকা আলোয় ঈশান দেখল- লোকটার মুখ...হুবহু তার নিজের। কিন্তু ঠোঁটে অস্বাভাবিক এক হাসি। সে আস্তে করে ডান হাত তুলল। তারপর ঠোঁট না নাড়িয়েই ঈশানের মাথার ভেতর একটা কণ্ঠস্বর বাজল- তুই যতক্ষণ বাইরে আছিস... আমি ততক্ষণ ভেতরে অপেক্ষা করছি।.....

অনেক ধন্যবাদ ভাই ❤️
আপনার সাপোর্টের জন্যই 100SP হলো।
এখন লক্ষ্য 500SP ইনশাআল্লাহ।
চলেন একে অপরকে সাপোর্ট করে আগাই 💪 #club100