বন্ধ ঘরের ভেতরের শব্দ ( পর্ব ১৭ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে "বন্ধ ঘরের ভেতরের শব্দ" গল্পের ১৭ তম পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর তিনি ফিসফিস করে বললেন- এটা...এটা আবার ফিরে এসেছে? ঈশান অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল- আপনি এটাকে চেনেন? হরিদা কোনো উত্তর দিলেন না। তিনি খুব আস্তে পুতুলটা হাতে নিলেন। তারপর চোখ বন্ধ করলেন, অনেকক্ষণ।যেন বহু বছরের পুরোনো কোনো স্মৃতি আবার ফিরে এসেছে। শেষ পর্যন্ত তিনি বললেন- এই পুতুলটার মালিকের নাম ছিল মেঘলা। ঈশান প্রথমবার নামটা শুনল- মেঘলা কে? বৃদ্ধ ধীরে ধীরে জানলার বাইরে তাকালেন। তার কণ্ঠস্বর ভারী হয়ে উঠল- তোমার দাদা মশায়ের ছোট বোনের মেয়ে। মানে...আমার আত্মীয়া? হ্যাঁ। কিন্তু সে এখন কোথায়?
এই প্রশ্ন শুনে হরিদা অনেকক্ষণ চুপ রইলেন। তারপর খুব নিচু গলায় বললেন- কেউ জানে না। অনেক বছর আগে এই বাড়িটা তখনও লোকজনে ভরা। ছোট্ট মেঘলার বয়স ছিল মাত্র আট। সারাদিন বাড়ির এঘর-ওঘর ছুটে বেড়াত। তার হাতে সবসময় এই পুতুলটাই থাকত। সে নাকি পুতুলটার সঙ্গে কথা বলত, খাওয়াত এবং ঘুম পাড়াত। সবার খুব আদরের ছিল। কিন্তু একদিন মেঘলা বলল- সে রাতে কেউ তার সঙ্গে খেলতে আসে। প্রথমে সবাই ভেবেছিল, ছোট মেয়ের কল্পনা। কিন্তু ধীরে ধীরে সে বদলাতে শুরু করল। সে মাঝরাতে উঠে করিডরে হাঁটত। দোতলার শেষ ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে ফিসফিস করে কথা বলত।আর একদিন সে বলেছিল- ওরা বলে, আমি একা নই। ওরা অনেকজন।.....
