বন্ধ ঘরের ভেতরের শব্দ ( পর্ব ১৮ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে "বন্ধ ঘরের ভেতরের শব্দ" গল্পের ১৮ তম পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর- ওরা দরজার ভেতরে থাকে। ওরা আমার নাম জানে। ঈশান এইসব নিঃশব্দে শুনছিল। এরপর হরিদা বললেন- সেদিন থেকে সবাই তাকে নজরে রাখত। কিন্তু যেদিন সে হারিয়ে গেল, সেদিন মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য তাকে চোখের আড়াল করা হয়েছিল। পাঁচ মিনিট, মাত্র পাঁচ মিনিট। তারপর পুরো বাড়ি তন্নতন্ন করে খোঁজা হল- ছাদ, বাগান, পুকুর, গোয়ালঘর, চিলেকোঠা ইত্যাদি সব জায়গা। কিন্তু মেঘলার কোনো খোঁজ পাওয়া গেল না। শুধু দোতলার শেষ ঘরের সামনে পড়ে ছিল এই পুতুলটা। ঈশানের গলা শুকিয়ে গেল। কারণ ঘরটা খোলা হয়েছিল? হরিদা ধীরে মাথা নাড়লেন- হয়েছিল।
তারপর? বৃদ্ধের চোখে আতঙ্ক ফুটে উঠল- ঘরের ভেতরে কেউ ছিল না। তাহলে? কিন্তু আমরা স্পষ্ট শুনেছিলাম। তিনি থেমে গেলেন। কী শুনেছিলেন? মেঘলা হাসছিল। এরপর ঈশানের বুকের ভেতরটা হিম হয়ে গেল।কোথা থেকে? হরিদা কাঁপা গলায় বললেন- দেওয়ালের ভেতর থেকে। দুপুরের দিকে ঈশান একা বাড়ির পুরোনো লাইব্রেরিতে গেল।বইয়ের তাকগুলো ধুলোয় ঢাকা। বছরের পর বছর কেউ এখানে আসেনি। ঘরের কোণে একটা বিশাল কাঠের আলমারি। তার নিচে মরচে ধরা লোহার বাক্স। বাক্সটা খুলতেই পুরোনো ডায়েরি, চিঠি আর নথির স্তূপ বেরিয়ে এল। সেগুলোর মাঝখানে চামড়ায় বাঁধানো একটা মোটা খাতা। প্রথম পাতায় লেখা- এই বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের বিবরণ, নিচে সাল ১৯৪৮।.....
