Wow Wow তে মোমো খাওয়া

in Incredible India • 7 hours ago

নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে। আশা করছি সকলের ভালো লাগবে।

IMG-20260913-WA0003.jpg

পুজো দেখতে দেখতে চলেই আসলো, রাত পোহালেই মহালয়া, দেবি পক্ষের সূচনা হয়ে যাবে। পুজো আসবে আসবে এটাই ভালো লাগে। কিন্তু শুরু হয়ে গেলেই কখন যে শেষ হয়ে যাবে সেটা বোঝায় মুশকিল। তখন একটা বছরের জন্য আবারো দিন গুনতে হবে। যাই হোক কিছুদিন আগেই জন্মাষ্টমী কেনাকাটা করতে গিয়েছিলাম সমস্ত কিছুই আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিয়েছিলাম। কেনাকাটার ফাঁকে চলে গিয়েছিলাম ওয়াও ওয়াও তে মোমো খাওয়ার জন্য। এখানকার মোমোর সাথে কমবেশি সকলেই পরিচিত। কারণ এখনকার দিনে মানুষ বেশিরভাগ সময় বাইরে চাইনিস খাবার খেয়ে কাটিয়ে দেয়।মোমো কম বেশি খেতে ভালোই লাগে। তবে এখানকার মোমোর কোয়ালিটি নাকি খুব ভালো হয়।আমার জানা নেই তবে বহু বার শুনেছিলাম ওই দোকানের মোমোর কথা।রাস্তার ধারে দোকান গুলোতে খুব যে খারাপ করে তেমনটা নয়। তবে যে কোন চাইনিজ খাবার আমি খেতে হয় খাই। তবে খুব প্রিয় এমন কোন ব্যাপার নয়। যখন দার্জিলিঙে বেড়াতে গিয়েছিলাম তখন সকলেই দেখেছিলাম দার্জিলিংয়ের মোমো খাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল। মনে হচ্ছিল যেন সকলে অমৃত খাওয়ার জন্য ছোটাছুটি করছে।

IMG-20260913-WA0000.jpg

কিন্তু আমার কোন ব্যাপার না, যা হবে তাই খাব। যেখানে যেমন সেখানে তেমন মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু না সকলেই যেহেতু পাহাড়ি এলাকায় মোমো খেতে নাকি ভীষণ ভালো হয়। তাই মোমো খেতে শুরু করে দিয়েছিল। আমি অবশ্য কয়েকটা টেস্ট করেছিলাম। কিন্তু ওই যে যদি প্রিয় খাবার হয় তবেই স্বাদ ভীষণ প্রিয় হয়। তবে বাইরের খাবার জিনিস কোনটাই আমার খুব একটা প্রিয় না ।বাঙালি তাই বাঙালি খাবার খেতে ভালোবাসি। জন্মাষ্টমী দিন ঈশা আর ঈশার বন্ধু দুজনে মিলেই আমাকে ওয়াও ওয়াও তে মোমো খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিল। কৃষ্ণনগরের যত রেস্টুরেন্টের ঘুরেছি সবকিছুই ঈশার সাথে। এর আগে কখনো রেস্টুরেন্টে খাওয়া কিংবা রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে খাওয়া কোনটাই আমি করতাম না। খুব জোর একটা করে আইসক্রিম নয়তো ফুচকা খাওয়া হত।

IMG20260903195456.jpg

ওখানে গিয়ে দুজনে মিলেই বেশ কিছু খাবার অর্ডার দেওয়া হয়েছিল। বাইরে কোন খাবার সম্পর্কে আমার খুব বেশি আইডিয়া নেই ।তাই যেকোন রেস্টুরেন্টে গিয়েই ঈশা নিজেই খাবার অর্ডার দেয় ।ওর পছন্দমতো খাবারগুলো আমি নিজেও খাই। কারণ চাইনিজ খাবার সম্পর্কে আমার কোন আইডিয়া কোন দিনই ছিল না। অর্ডার দেওয়ার বেশ খানিকক্ষণ বসে থাকার পর এক এক করে খাবারগুলো দিয়ে গিয়েছিল। তিনজন মিলে ভাগাভাগি করে খেয়ে নিয়েছিলাম। তবে ওখানকার মোমো গুলো খেতে বেশ ভালো ছিল। ওয়াও ওয়াও তে মোমো নাকি খুবই টেস্টি হয়। তিনজনে মিলে সমস্ত খাবার খেয়েও বেশি বিল হয়নি। জামাকাপড় কিনতে গেলে যখন একটার সাথে একটা ফ্রি থাকে। এক একটা রেস্টুরেন্টে গেলেও সেখানেও একটা খাবার নিলে আর একটা খাবার ফ্রি থাকে। তিনজন মিলে খুব মজা করে খেয়েছিলাম।

যারা সবসময় রেস্টুরেন্টে খায় তারা এসব বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখে ।যাই হোক ওদের সাথে ঘুরতে গিয়ে সেদিন সন্ধ্যা বেলাতে খাওয়া-দাওয়া করে বেশ ভালোই লেগেছিল। তিনজনের মিলে সুন্দর খানিকটা সময় কাটিয়ে আবারও বেরিয়ে পড়েছিলাম বাড়ির উদ্দেশ্যে। আজকে আপনাদের মাঝে ওয়াও ওয়াও তে মোমো খাওয়ার মুহূর্তে শেয়ার করে নিলাম।


আজ এইখানেই শেষ করছি। আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল। সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

Sort:  
Loading...

The timing of this snack between festival preparations shows how daily routines persist even during celebrations. The post doesn't mention how street food vendors adjust their prices during such high-demand periods. Did you notice if the momo prices changed with the approaching festival?