"তিতলির জন্মদিনের আয়োজন শুরু হয়েছিলো মাঝরাত থেকেই""
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
বেশ কিছুক্ষণ আগেই বাড়িতে চলে এসেছি।গতকাল রাতে ঘুমাতে যেতে অনেকটা দেরি হয়েছিলো বলে, রাতে আর পোস্ট লেখা সম্ভব হয়নি। আর আজ সকালে উঠে ফ্রেশ হয়েই বাড়ি আসার উদ্দেশ্যে রওনা করেছিলাম। তাই আর সকালেও পোস্ট লেখা সম্ভব হয়নি। বাড়িতে ফিরে কিছু কাজ গুছিয়ে নিয়ে, এখন একটু সময় পাওয়ায় ভাবলাম পোস্ট লিখতে বসি।
কারণ আপনাদের সকলের সাথে তিতলির জন্মদিনের বেশ কিছু মুহূর্ত এখনও পর্যন্ত শেয়ার করা হয়ে ওঠেনি। জন্মদিনের প্রস্তুতি পর্বের বেশ কিছুটা আগের দিনের পোস্টে শেয়ার করেছিলাম। যেখানে আপনাদেরকে জানিয়েছিলাম, রাত বারোটার পর তিতলিকে উইশ করার জন্য, আলাদা করে ওর জন্য পেস্ট্রিও আনা হয়েছিলো।
তবে খাওয়া দাওয়ার পর আমি পোস্ট লিখতে বসলেও, দিদিরা সকলে গিয়েছিলো বেডরুমে। যেহেতু দিদির এই মুহূর্তে ওর অনেক চাপ যাচ্ছে এবং সারাদিন ডিউটি করে আসার পর ও বেশ ক্লান্ত থাকে। তাই শোয়ার সাথে সাথে ঘুমিয়ে পড়েছিলো।
![]()
|
|---|
এমনকি আমার দিদির হাজবেন্ডও ঘুমিয়ে পড়েছিলো। আমি পোস্ট শেয়ার করার পর যখন রুমে গেলাম, তখন দেখলাম তিতলি ও তখন জেগে আছে। তবে মাকে জড়িয়ে বেশ কিছুক্ষণ শুয়ে থাকার পরে, একটা সময় তাতানও ঘুমিয়ে পড়লো।
তিতলির তখন একটাই প্রশ্ন ছিলো, সবাই ঘুমিয়ে পড়লে ওকে ১২ পার সময় কে উইশ করবে। যদিও দিদিরা বলেছিলো, ঘুমিয়ে পড়লেও বারোটার সময় ডেকে দিতে। যাইহোক বারোটা বাজতে অনেকটা সময় বাকি ছিলো। তাই আমি আর তিতলি দুজনে মিলে বাজার থেকে কিনে আনা জিনিসগুলো দেখলাম, পাশাপাশি ছবিও তুললাম। যাতে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারি।
![]()
|
|---|
তিতলির জন্য আমি ড্রেস এনেছিলাম, যেটা ওর বেশ পছন্দ হয়েছিলো। কিন্তু ড্রেস নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে একবার সে পড়েও দেখে নিয়েছিলো। অবশ্য সাইজটা ঠিক আছে কিনা সেটা দেখাও জরুরী ছিলো। যাইহোক এই সমস্ত কিছু করার পর, ১২ টা বাজতে বেশ কিছুটা সময় বাকি ছিলো, তাই তিতলি আমার পাশে এসে শুয়ে পড়েছিলো।
![]()
|
|---|
দুজনে মিলে একটি ছবিও তুললাম। আবার ছবিটা তিতলি এডিটও করলো। তিতলি অবশ্য এইসব কিছু করতে পারে। আমি আবার এইসব অতোটাও ভালো পারিনা। তবে এডিট করার পরে ছবিটা কিন্তু বেশ ভালোই লাগছিলো।
এগুলো করতে করতেই বারোটা বেজে গিয়েছিলো। তাই দুজনে মিলে ফ্রীজ থেকে পেস্ট্রি বের করে, সেগুলো গুছিয়ে নিয়ে আমরা আবার রুমে গেলাম। এরপর তিতলি ওর বাবা মাকে ডেকে তুললো। অবশ্য ভাইকেও ডাকলো। কিন্তু তাতান তখন গভীর ঘুমে মগ্ন। তাই আর ঘুম থেকে ওঠানো গেলো না কিছুতেই।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
তাতানের জন্যেও কেক নেওয়া হয়েছিলো। রেড ভেলভেট কেক দুটো আমার আর তাতানের জন্যে ছিলো। আর মাঝখানের চকলেট মুজ টা ছিলো তিতলির পছন্দের। মিও আমোরে থেকে সে নিজেই পছন্দ করে এটা নিয়েছিলো।
এরপর মার্কেট থেকে নিয়ে আসা ক্রাউনটা নিজেই মাথায় পড়ে নিলো। কয়েকটা ছবিও তুললাম। তারপর সকলে মিলে ওকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালাম। তাতানের কেকটা অবশ্যই ফ্রিজে রাখা হলো, যেহেতু ও কিছুতে ঘুম থেকে উঠলো না।
আমার শাশুড়ি মা এবং শুভ রাতের বেলাতেই ফোনও করছিলো তিতলিকে উইশ করার জন্য এবং সেটাতে তিতলি খুশি হয়েছিলো যে, ওর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য অতো রাতেই ফোন করেছিলো।
![]()
|
|---|
যাইহোক এইরকম ভাবে রাতে তিতলির জন্মদিন পালন করার পর, আমরা শুয়ে পড়লাম। বেশ কিছুক্ষণ বাদে ঘুম এসেছিলো ঠিকই, তবে এতো রাত পর্যন্ত তিতলি জেগেছিলো এবং এই মুহূর্তগুলো অনেকখানি উপভোগ করেছে, তা আপনারা আমার শেয়ার করা ছবিগুলো দেখেই আশাকরি বুঝতে পারছেন।
যাইহোক আপনাদের আজকের সারাটা দিন নিশ্চয়ই অনেক ভালো কাটছে। এমন ভাবেই ভালো কাটুক আপনাদের সকলের আগামী দিনগুলোও, সেই প্রার্থনা রইলো। আজকের লেখা এখানেই শেষ করলাম। ভালো থাকবেন।



















I really enjoyed reading about Titli’s birthday celebration. It sounds like such a sweet and memorable night, especially because everyone made an effort to make her feel special. I loved how you chose things according to her likes and even stayed awake until midnight so she could celebrate her birthday with her family.The part where Titli was wondering who would wish her at 12 o’clock was really cute. And the fact that she stayed awake with you, looked at all the birthday things, took pictures, and even edited one herself made the whole story feel very natural and personal. The chocolate mousse she chose for herself and the little crown were such lovely touches.
It’s also heartwarming that even though everyone was tired after a long day, they still got up to wish her. The late-night calls from your mother-in-law and Shubho made the moment even more special. These may seem like small things, but they often become the memories we remember for years.From the pictures and your writing, it’s easy to see how happy Titli was. May God bless her with good health, happiness, success, and lots of beautiful moments ahead. Happy Birthday once again to Titli, and thank you for sharing such a lovely family moment with us.