"বিশ্বকর্মা পুজোর সকালবেলার কিছু মুহূর্ত"
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
লেখার শুরুতেই আপনাদের সকলকে বিশ্বকর্মা পূজার অনেক শুভেচ্ছা জানাই। হিসাব মতো আজ থেকে শুরু হলো বাঙালির আসল পূজো। কারণ এই বিশ্বকর্মা পুজোর দিন থেকে চারিপাশে যেন পুজো পুজোর রব শুরু হয়। ইতিমধ্যে বহু জায়গায় প্যান্ডেলের কাজ শুরুও হয়ে গেছে।
যদিও এই বছর দূর্গা পূজো বেশ দেরিতেই শুরু হবে। অন্যান্য বার বিশ্বকর্মা পুজোর কয়েকদিন বাদেই মহালয়া হয়। আর একথা আমরা সকলেই জানি, সেদিন থেকেই মূলত দেবি পক্ষের সূচনা হয়। তবে এই বছর বিশ্বকর্মা পুজো এবং মা দুর্গার আগমনের মধ্যে বেশ কিছু দিনের অপেক্ষা রয়েছে।
অনেকের বাড়িতেই আজ বড় করে বিশ্বকর্মা পূজার আয়োজন করেছেন। তবে আমাদের বাড়িতে কখনোই তেমন কোনো আয়োজন করা হয় না। শুভর অফিসে অনেক বড় করে পুজো হয়, যেহেতু সেটা একটা গাড়ির কোম্পানি।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
প্রতি বছর বিশ্বকর্মা পূজোর আগের দিন শুভ অফিস থেকেই ওর বাইকটা সুন্দরভাবে ধুয়ে নিয়ে আসে। কারণ বাড়িতে আমরা যতই চেষ্টা করি না কেন, ওয়ার্কশপের মতো পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না।
আর প্রতিবার বিশ্বকর্মা পূজোর দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে, ফ্রেশ হওয়ার পর, প্রথমে আমি বাড়ির নিত্য পূজো শেষ করি। তারপর শুভর বাইকেও একটু পুজো করে দিই। বলতে পারেন এটা আমার মানসিক শান্তি।
অন্যান্য বার যদি পুজো শেষ হওয়ার আগে শুভ অফিসে গিয়ে পৌঁছায়, তাহলে সেখানে পুরোহিত মশাইকে দিয়ে পূজা করিয়ে নেয়। তবে বেশিরভাগ বছরই ও অনেকটা লেট করেই অফিসে যায়। তাই বাড়িতেই নিজের মতো করে পুজোটা করে দিলে নিশ্চিত থাকি।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
অন্যান্য বছরের মতো আজও এইভাবে পুজো করলাম। সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে নীচের ঘরের কিছু কাজ সেরে, আমি প্রথেমেই উপরে গিয়ে ঠাকুর ঘরের কাজ গুছিয়ে, স্নান সেরে পুজো দিয়ে নিলাম। তারপর ঠাকুর ঘর থেকে সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে নীচে এলাম।
আমার ননদের স্কুটারটাও আমাদের বাড়িতে রাখা আছে। তাই স্কুটারটা ভেজা কাপড় দিয়ে আগেই ভালো ভাবে মুছে নিয়েছিলাম। তারপর প্রথমেই আমি বাইকটায় ও স্কুটারটায় গঙ্গা জল ছিটিয়ে দিলাম। তারপর সিঁদুর চন্দন দিয়ে ফুল দিলাম। শুভর বাইকে স্বস্তিকা চিহ্ন আঁকলাম।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
ননদের স্কুটার কেনার পর পুজো দেওয়ার সময়ে স্বস্তিকা চিহ্ন এঁকেছিলো। তাই সেটা আর মুছিনি। শুধু আলাদা করে চন্দন ও সিঁদুরের ফোঁটা দিয়ে, ফুল দিয়ে, প্রদীপ আর ধুপকাঠি জ্বালিয়ে পুজো দিয়ে নিলাম।
তারপর ব্রেকফাস্ট তৈরি করার জন্য আমি রান্নাঘরে গিয়েছিলাম। ততক্ষণের শুভ উঠে ফ্রেশ হতে চলে গিয়েছিলো। পুজোর দিন যেহেতু একটু বেলাতেই ও অফিসে যায়, তাই সকালে পুজোর কাজ সম্পন্ন করার পর ব্রেকফাস্ট এর আয়োজনে গিয়েছিলাম বলে কোনো সমস্যা হয়নি।
![]()
|
|---|
এরপর শুভ সময় মতো অফিসে চলে গেলে, আমারও একটা জায়গার যাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু পরে আর সেটা হয়ে ওঠেনি। যাইহোক সন্ধ্যার দিকে অবশ্য বাজারে গিয়েছিলাম। তবে সেই সম্পর্কিত পোস্ট না হয় আপনাদের সাথে পরবর্তী লেখায় শেয়ার করবো।
আজকে বিশ্বকর্মা পূজার সকাল বেলার কিছু মুহূর্ত আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আশাকরি আপনাদের সকলের দিনটা আজ ভালোভাবে কেটেছে, আগামী দিনগুলো ভালো কাটুক এই প্রার্থনা রইলো।
ভালো থাকবেন সকলে। শুভ রাত্রি।







