Better life with steem//The Diary Game// 11th August, 2026
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
কেমন আছেন আপনারা সকলে? আশা করছি সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের আজকের সারাটা দিন বেশ ভালো কেটেছে।
কিছুক্ষণ আগেই সন্ধ্যা দিয়ে এসে ঘরের কিছু কাজ সেরে, পোস্ট লিখতে বসলাম। আমার জন্য আজকের দিনটি অনেক বেশি ব্যস্ততার ছিলো। সারাদিন কিভাবে কাটিয়েছি, সেই গল্পই আজ এই পোস্টের মাধ্যমে শেয়ার করবো আপনাদের সাথে। চলুন তাহলে শুরু করি,
|
|---|
বীরভূম থেকে ফিরেই গত পরশুদিন শাশুড়ি মা আবার আমার ননদের বাড়িতে চলে গেছেন। তাই যথারীতি সারাদিন আবার বাড়িতে আমি একাই রয়েছি। শুভর আজ অফিস ছিলো, তাই ঘুম থেকে সময় মতো উঠে পড়েছিলাম। এছাড়াও আজ অনেক জামাকাপড় ধোয়ার ছিলো, তাই গতকাল রাতেই ভেবে রেখেছিলাম, দিনটা একটু তাড়াতাড়িই শুরু করবো।
গত দুদিন ধরে বেশ ভালো রোদ্দুর উঠছে এবং আশায় ছিলাম আজও সারাদিন ভালো রোদ্দুর থাকবে। যাতে জামা কাপড় গুলো শুকিয়ে যায়। সারাদিন রোদ্দুর থাকার কথা এই কারণেই বললাম, গতকাল সারাদিন বেশ ভালো রোদ্দুর থাকলেও, সন্ধ্যার পর থেকে এমন মুষলধারে বৃষ্টি নেমেছিল যে, আশঙ্কায় ছিলাম আজ সারাদিন ধরে হয়তো বৃষ্টি চলবে।
![]()
|
|---|
তবে ঘুম থেকে উঠে বাইরের পরিবেশ দেখেই বুঝলাম, হয়তো দিনে আজ আর বৃষ্টি হবে না। তাই রান্না ঘরে গিয়ে প্রথমে ভাত বসিয়ে, জামা কাপড় গুলো ডিটারজেন্টে ভিজিয়ে রেখে দিয়েছিলাম। যাতে শুভ বেরিয়ে যাওয়ার পরেই আমি সেগুলো ধুয়ে নিতে পারি।
যেহেতু আমি আর শুভই বাড়িতে। তাই বেশি কিছু রান্না করিনি। শুধু আলু ও ফুলকপি দিয়ে তরকারি করলাম। আর সাথে বেগুন ভাজা করেছিলাম। শুভর জন্য আলাদা করে রুই মাছ ভেজে দিয়েছিলাম। আসলে রুই মাছ আমি খাই না, তাই ফুলকপির তরকারি রুই মাছ দিয়ে করলে, আমার জন্য আলাদা করে আবার কিছু করতে হতো। তাই এই কৌশল।
![]()
|
|---|
ব্রেকফাস্ট এর জন্য শুভকে গোলা রুটি বানিয়ে দিয়েছিলাম। আমি আজ আর ব্রেকফাস্ট করার সময় পাইনি। শুধু শুভ বেরিয়ে যাওয়ার পর একটু চা করে বিস্কুট দিয়ে খেয়ে নিয়েছিলাম। কমিউনিটির কিছু কাজ বাকি ছিলো, তাই আগে সেগুলো সেরে তারপর নেমে গিয়েছিলাম জামা কাপড় ধোয়ার কাজে।
|
|---|
![]()
|
|---|
জামা কাপড় সব ধুয়ে যখন ছাদে মেলতে গেলাম তখন অবাক হয়ে আকাশের দিকে চেয়ে রইলাম বেশ কিছুক্ষণ। কি অপূর্ব সুন্দর লাগছে আকাশের রং তখন। একেবারে যেন শরতের আকাশ। নীল আকাশের বুকে সাদা মেঘ ভেসে চলেছে, যা মনে করিয়ে দিলো পুজোর আর খুব বেশি দেরি নেই।
দেখতে দেখতে সময় গুলো যে কিভাবে পার হয়ে যায় সেটাই ভাবছিলাম কিছুক্ষণ ধরে। যাইহোক এরপর সমস্ত জামাকাপড় গুলো ছাদে মেলে দিয়ে, নিচে এসে ঘরের বাকি কাজ শেষ করলাম। রান্নাঘরে সমস্ত কিছু তখনও ছড়িয়ে ছিটিয়েছিল। সেগুলোও গুছিয়ে নিলাম।
![]()
|
|---|
সেই সমস্ত কিছু গুছিয়ে তারপর স্নান সরলাম। স্নান সেরে আজ পুজোর ফুল তুলেছি, রোদ্দুরের তাপে ততক্ষণে ফুলগুলো বেশ নুইয়ে পড়েছিলো। তবে স্নান সারার আগে আজ ফুল তোলার উপায় ছিলো না। এরপর ঠাকুর ঘর মুছে, ঠাকুরের বাসন মেজে, তারপর পুজো দিতে বসেছিলাম।
স্নান করার পর এই সমস্ত কাজ করে আবার সম্পূর্ণ ঘেমে গেলাম। তাই পুজো সম্পন্ন করে আরও একবার সেরে ফ্রেশ হলাম। সকাল থেকে একটানা কাজ করে ততক্ষণে বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। আর খিদেও পেয়েছিল প্রচুর।
![]()
|
|---|
![]()
|
|---|
সেই মুহূর্তে আর এতোটুকুও ইচ্ছে করছিলো না, বিছানার চাদর গুলো পেতে বালিশের কভার গুলো ঠিকঠাক করতে। তাই জন্য নিচে এসে কিছুক্ষণ বসে বিশ্রাম নেওয়ার পর, লাঞ্চ করে নিলাম। এরপর শোফাতেই শুয়ে পড়েছিলাম কিছুক্ষণের জন্য।
|
|---|
তখন সন্ধ্যা প্রায় হয়েই এসেছিলো। তাও কিছুক্ষণ শুয়ে বিশ্রাম নিয়েছিলাম। তার সাথে একটু ফোন ঘেঁটেছি। ঘুমে চোখ বন্ধ হয়ে আসছিলো, কিন্তু সেই সময় ঘুমালে সন্ধ্যা দিতে দেরি হয়ে যাবে। তাই একপ্রকার নিজেকে জোর করেই জাগিয়ে রেখেছিলাম।
কিছুক্ষণ বাদে উপরে গিয়ে সমস্ত জামাকাপড় ছাদ থেকে তুলে খাটের উপরে রেখে দিলাম। সেগুলো ভাঁজ করার মতো এনার্জি সত্যিই আজ নেই।
![]()
|
|---|
তবে নিচের ঘরে বিছানার চাদর পাততেই হতো, যেহেতু রাতে ঘুমাতে হবে। তাই সন্ধ্যা পূজো শেষ করে নিচে এসে খুব কষ্ট করে বিছানাটা রেডি করে নিলাম। তারপর এই বিছানাতে শুয়েই আপনাদের সাথে পোস্ট লেখা শুরু করলাম।
এরপর শুভ ফিরলে রাতে কি খাবে সেটা জিজ্ঞাসা করে, রান্নাও করতে হবে। যেটা করতে এতোটুকুও ইচ্ছে করছে না।
এই রকম ভাবেই একটা ক্লান্তিকর দিন কাটিয়েছি আজ। তবে একটাই শান্তি সমস্ত জামা কাপড় যেগুলো আজ ধুয়ে দিয়েছিলাম, সারাদিন রোদ্দুর থাকায় সেগুলো সব শুকিয়ে গেছে।
এই মুহূর্তে অবশ্য বাইরে দু এক ফোঁটা বৃষ্টি পড়ছে। জানিনা রাতের দিকে বৃষ্টি বাড়বে কিনা। যাইহোক আজকের লেখা এখানেই শেষ করছি। আপনাদের সকলের সুস্থতা প্রার্থনা করি। ভালো থাকবেন সকলে।










Congratulations! Your post has been upvoted from sc-07 account.
What a busy and exhausting day you had! From cooking and doing laundry to cleaning the house, performing your daily पूजा, and finally preparing the bed, you managed to accomplish so much despite being alone at home. 🌸
I especially loved the way you described the beautiful blue sky and white clouds after the clothes were hung out to dry. Those little moments of beauty can make a tiring day feel a bit more peaceful. ☁️💙 And the aloo-phulkopi curry and begun bhaja look delicious!
After such a long day, you definitely deserved some proper rest. Hopefully, the evening rain brought a little relief from the heat. Take care of yourself and have a peaceful night. ❤️🌿