Better life with steem//The Diary Game// 29 th July, 2026
![]()
|
|---|
Hello,
Everyone,
আশাকরি আপনারা সকলে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন এবং আপনাদের সকলের আজকের দিনটি খুবই ভালো কেটেছে।
আমার দিনটাও কর্মব্যস্ততার মধ্যে মোটামুটি ভালোই কাটলো। চলুন সারাদিন কি কি কাজ করলাম, আর দিনটা কিভাবে কাটালাম, সেকথা আপনাদের সকলের সাথে আজ এই পোস্টের মাধ্যমে শেয়ার করি,-
|
|---|
![]()
|
|---|
আজ অ্যালার্ম বাজার আগেই ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিলো। তবে বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছে করছিলো না বলে, অ্যালার্ম বাজা পর্যন্ত শুয়েছিলাম। অবশেষে অ্যালার্ম বাজলে বিছানা ছেড়ে উঠে, ফ্রেশ হয়ে, প্রথমে উপরে গেলাম।
সেখানে ঠাকুরের শয়ন তুলে, তারপর ছাদে গেলাম ফুল তুলতে। আজকাল গাছের ফুল অনেকটাই কমে এসেছে। কয়েকদিন আগে পর্যন্ত এতো ফুল ফুটতো যে, সাজিতে তা ধরতো না। তবে আজকাল তার তুলনায় অনেকটাই কম ফুল ফোঁটে। বিশেষ করে সাদা টগর ফুল গুলো।
![]()
|
|---|
যাইহোক ফুল তোলার কাজ সম্পন্ন করে নিচে এসে রান্না বসালাম। পাশাপাশি শুভকেও ডেকে দিলাম। ঘুম থেকে উঠে ও নিজের মতো তৈরি হতে গেলো। আমিও রান্না শেষ করে টিফিন গুছিয়ে ওকে ব্রেকফাস্ট দিলাম। আর খাওয়া-দাওয়া সম্পন্ন করে ও অফিসের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলো।
সকাল থেকে আবহাওয়া বেশ রৌদ্রোজ্জ্বল ছিলো। আর আমিও সেই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে গিয়ে, আজ বিছানার চাদরসহ আরও বেশ কিছু জামা কাপড় ধোয়ার জন্য, সেগুলো ডিটারজেন্ট দিয়ে জলে ভিজিয়ে দিলাম। এরপর কমিউনিটির কিছুটা কাজ করে, তারপর রান্না ঘরের বাকি কাজ সম্পন্ন করলাম।
|
|---|
ইচ্ছে ছিলো জামা কাপড় গুলো একটু সকাল-সকাল ধুয়ে দেবো, যাতে সেগুলো ভালোভাবে শুকিয়ে যায়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই চারিদিক কালো করে একেবারে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি এলো। আমার মনটা খারাপই হয়ে গেলো। তবুও বৃষ্টির মধ্যেই জামা কাপড় গুলো ধুয়ে ছাদে গেলাম।
![]()
|
|---|
প্রথমে ভাবছিলাম সেগুলো ঘরের মধ্যেই মেলে দেবো, যাতে অন্তত জল ঝরে যায়। তবে মুহূর্তের মধ্যে মেঘলা আকাশ ভেদ করে সূর্যের আলো যেন প্রখর হয়ে উঠলো। মুহূর্তের মধ্যে ছাদে দাঁড়িয়ে প্রকৃতির এই রূপ বদল বেশ উপভোগ করলাম। তবে রোদ্দুরটা যে দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হচ্ছিলো এমনটা নয়, কিছুক্ষণ বাদেই মেঘলা আকাশ আবার কিছুক্ষণ বাদেই মেঘ ভাঙ্গা রোদ্দুর এর খেলা দেখতে বেশ ভালঝই লাগছিলো।
![]()
|
|---|
যেহেতু আমি উপরের বাথরুমেই স্নান করবো, তারপর পূজো দেবো, তাই নীচে নামতে অনেকটা দেরি হবে। তাই ফোনটা সাথেই নিয়ে গিয়েছিলাম। তাই একই জায়গায় দাঁড়িয়ে দুটো ছবিও তুলে নিয়েছিলাম। আশাকরি ছবি দুটো দেখেই আপনারা প্রকৃতির রূপ বদলের দৃশ্যটি অনুভব করতে পারবেন।
![]()
|
|---|
যাইহোক এরপর যথাসময়ে পুজোর সম্পন্ন করে, তারপর নিচে এলাম। দুপুরে একা খেতে ভালো না লাগলেও টিভি চালিয়ে অল্প একটু খেয়ে, সোফাতেই শুয়ে পড়লাম। আসলে বিছানার চাদর তখনও পাতা হয়নি, আর শরীরটাও ভালো লাগছিলো না। তাই ভাবলাম একেবারে সন্ধ্যা বেলায় কাজগুলো করবো।
|
|---|
যেমন ভেবেছিলাম তেমন ভাবেই সময় কাটিয়ে, সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে উঠলাম। বিছানার চাদর গুলো পরিপাটি করে একেবারে সন্ধ্যা দেওয়ার জন্য উপরে যাবো বলে যেই দরজা খুললাম, হঠাৎ করে চোখ পরলো শাশুড়ি মায়ের সেলাই মেশিনের উপরে, যেটি আমাদের বারান্দাতেই রাখা থাকে।
![]()
|
|---|
আমাদের বাড়িতে নতুন অতিথিদের আগমন ঘটেছে। না না মানুষ নয়, একটা বিড়াল তার তিনটি বাচ্চাকে নিয়ে মেশিনের উপরেই শুয়ে আছে। দেখলাম আমার দরজা খোলার আওয়াজ পেয়ে আমার দিকে এমন ভাবে তাকালো যেন, আমি ওদেরকে বিরক্ত করলাম। যাইহোক একটুখানি দাঁড়িয়ে আমি ওপরে চলে গেলাম। ওদেরকে আর অযথা তাড়িয়ে দিইনি। ওরা ওখানেই বসে রইলো ওদের মায়ের সাথে।
|
|---|
![]()
|
|---|
শুভর অফিস থেকে ফিরতে একটু দেরি হলো আজ। বেচারা বাইক নিয়ে মহা সমস্যায় পড়েছিলো। রাস্তায় নাকি ৫-৬ বার স্টার্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, বৃষ্টির কারণে গাড়িতে জল ঢুকেছে বললো। যাইহোক বাড়িতে ফেরার পর ওকে এক কাপ চা করে দিলাম। ও চা খেলো এবং বলল রাত্রে বেলায় লুচি খাবে। বাইরে বৃষ্টিও হচ্ছিলো, তাই আমিও খুব একটা আপত্তি করলাম না, কারণ লুচি খেতে আমি নিজেও ভীষণ।
![]()
|
|---|
ঘরে বেশ কিছুটা ছোলার ডাল ছিলো। তাই সেটা ভিজিয়ে দিয়ে আমি ময়দা মেখে নিলাম। তারপর আগে ডাল করলাম, আর একেবারে শেষে গরম গরম লুচি ভেজে নিলাম। দুজনে মিলে কিছুক্ষণ আগে ডিনার শেষ করলাম। এখন আমি পোস্ট লিখতে বসেছি, আর শুভ এখন টিভির ঘরে বসে খবর দেখছে।
এইরকম ভাবেই কাটিয়েছি আজকের দিনটা। কর্মব্যস্ততা ছিলো ঠিকই, তবে বেশ সুন্দরভাবে কেটে গেছে সারাটা দিন।
আপনাদের সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আজকের লেখা এখানেই শেষ করছি। শুভরাত্রি।










