বিবিধ কাজের মাঝে অতিবাহিত আরেকটি দিন!

একটা একটা দিন আর অনেক সময় নিয়ে, এই বছরটাও শেষ হতে চলেছে!
প্রতিদিনের একটা রুটিন মোটামুটি আমার তৈরি গিয়েছে, সেই রুটিনের হাত ধরে গতকাল সময়ের খানিক আগেই পৌঁছে গিয়েছিলাম স্টেশনে!
আমার উদ্দেশ্য ছিল ট্রেনের মন্থলি টিকিট কেটে নেওয়া।
আমার পূর্ব অভিজ্ঞ্যতা ছিল না, তবে দেখলাম এবং শিখলাম বিষয়টি মোটেও কঠিন নয়!
কাউন্টারে বসে থাকা মহিলা আমাকে তার সাথে মাঝে মাঝে গিয়ে দেখা করে আসতে অনুরোধ করেছিলেন!
যোগাযোগের সময় এক্ মাস, একজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মহিলা, যার সাথে বাকবিতণ্ডা দিয়ে পরিচয় শুরু করেছিলাম, বর্তমানে সে আমায় অনুরোধ করেন, যেনো তার সাথে মাঝেমধ্যে দেখা করি।
আমার বেশ মুশকিল হয়ে যাচ্ছিল প্রতিদিন টিকিট কেটে তারপর প্লাটফর্ম পরিবর্তন করে অন্যদিকে এসে ট্রেন ধরা!
আরেকটি বিষয় হলো সাশ্রয়! মাসে যে টাকা আমার ব্যয় হচ্ছিল টিকিটের জন্য, দেখলাম মান্থলি করে তার থেকে অনেক কম টাকায় বিষয়টি সম্পন্ন হলো!
আগেই উল্লেখ করেছি, সময়ের অনেক আগেই প্ল্যাটফর্মে পৌঁছে গিয়েছিলাম, তাই প্লাটফর্ম বদল করে, বেশ কিছুক্ষণ বসে ছিলাম।
কিছু ছবি তুলেছিলাম, লেখায় তুলে ধরার জন্য!
এর মাঝে একটি মজার কাণ্ড ঘটে গিয়েছিল।
![]() | ![]() |
|---|---|
![]() | ![]() |
এক্ নম্বর প্ল্যাটফর্মে একটি ট্রেন এসে দাঁড়িয়েছিল, আমি ব্যাগ থেকে ফোন বের করে ছবি তুলে নিয়েছিলাম;
এর মাঝেই একজন বলে উঠলো, দেখ তোর টয়লেট করার ছবি উঠে গেলো!
আমি বেশ বিস্মিত হয়েছিলাম, তারপর চেয়ে দেখলাম একটি ছোট বাচ্চা, ট্রেনের গেটে দাড়িয়ে টয়লেট করছে, আর তাকে উদ্দেশ্য করেই সকলে মজা করছে।
অর্থাৎ আমার ছবি তোলার বিষয়টি লোকটির চোখে পড়েছিল, তাই সে বিষয়টি নিয়ে মজা করছিলো শিশুটির সাথে।
খানিক লজ্জায় পড়ে গিয়েছিলাম আমিও, কারণ, ছবি তোলার সময় আমি কোনো কিছুই লক্ষ্য করিনি!
এরপর শোরুমে পৌঁছে, বেশ অসুস্থ্ বোধ করছিলাম, কারণ, আমার একটা ব্যথা সমানে হয়ে চলছে পেটে!
পুনরায়, আমার কাজিন ওষুধ এনে দিয়েছিল, সেটি খাবার বেশ খানিকক্ষণ পরে খানিক সুস্থ্য বোধ করছিলাম।
শোরুমে গতকাল থেকে চায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেটা নিয়ে আলোচনায় খানিক সময় অতিবাহিত হয়েছে।
এই সময় গ্রাহকের সংখ্যা কম, তাই কিছু পারিপাশ্বিক ব্যবস্থা করার খানিক সময় পাওয়া যাচ্ছে।
দোকানের ভিতরের কিছু ছবি তুলেছিলাম গতকাল, সেগুলোই লেখার মাঝে উল্লেখ করলাম।
বর্তমান সময়ে আমি বেশ বিরক্তিকর পরিস্থিতি দিয়ে যাচ্ছি, শারীরিক পরিস্থিতির কারণে!
তাই, বাড়ি ফিরে এসে কোনকিছুই করতে ভালো লাগে না!
![]() | ![]() |
|---|
শরীর যদি বেঁকে বসে, তখন এমনিতেই মানসিক দিকটিও স্থিতিশীল থাকে না!
একসাথে এত বেশি ওষুধ খেতে হচ্ছে প্রতিদিন, যেটা আমার বিরক্তির আরো একটি অন্যতম কারণ।
প্রতিদিনের নতুন রুটিন পালন করতে গিয়ে পুরোনো লেখার অভ্যেসে খানিক ভাটা পড়ে যাচ্ছে!
সকলের জীবনে ব্যস্ততা আছে, কিন্তু শরীর ঠিক না থাকলে সবটাই যেনো কেমন ঘেঁটে যায়!
জানিনা কতদিন ধরে এই পরিস্থিতি চলবে, তবে এখন বেশি রাত জাগলে, পরের দিন একটি ক্লান্তি তাড়া করে বেড়ায় সারাটাদিন।









El ahorro al cambiar al ticket mensual que mencionas, y la forma en que una pequeña foto “interrumpe” la rutina, me recuerda cómo el mercado muestra momentos de acumulación on‑chain donde el volumen se concentra cerca del soporte antes de un posible breakout. En BTC, esa zona de soporte alrededor de $27 k está consolidándose, y una estrategia de compra fraccionada similar a tu ahorro mensual podría aprovechar la próxima fase de impulso.
Veo que al cambiar a tickets mensuales redujiste el gasto: ¿qué significa esto para el bolsillo, traducido a guaraníes? Ojo con la foto del niño en el vagón, la lección que deja es que la falta de atención al detalle puede generar situaciones embarazosas.