বিয়েবাড়ি - প্রথম পর্ব
প্রথমেই সকলকে নমস্কার। আশা করি সবাই ভালো এবং সুস্থ আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি। আজ আমি আবার একটি নতুন গল্প নিয়ে চলে এসেছি। আশা করছি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। আজ শেয়ার করব পিসিদের সাথে কাটানো আর একটি বিয়েবাড়ির গল্প।
আমাদের এখানে একটা কাকার বিয়ে উপলক্ষ্যে পিসিরা বিয়ের আগের দিন রাতেই আমাদের বাড়িতে চলে আসে। পিসি, পিসেমশাই, ঈশা দিদি, ভাই সবাই আসে। পিসিরা আসা মানেই বেশ মজা ও হই হট্টগোল।
পরের দিন বিয়ে হলো, তারপরের দিন বাশিবিয়েও হলো। এবার রাতে বরের বাড়ি আসার পালা বউকে নিয়ে।
সেই সন্ধ্যে থেকে আমরা রেডি হয়ে বরের বাড়িতে চলে গেছি বউ দেখব বলে। যদিও বরযাত্রী গিয়ে দেখেছিলাম। বউ সম্পর্কে আমার কাকিমা হবে।
বউ নিয়ে আসছে না দেখে আমি আর ঈশা দিদি মিলে কয়েকটা ছবি তুলে নেই আর রিলসও বানিয়ে নেই, আর আমাদের ফটোগ্রাফার ছিল বুনু। আর ভাইকে দিয়েছিলাম সব ব্যাগ ধরে রাখার দায়িত্ব।
বরযাত্রী হয়ে গিয়েছিলাম সেখানেও আমরা বেশ মজা করেছি। সেখানে আমাদের টিফিন খেতে দিয়েছিল। কিন্তু আমরা ইন্টেলিজেন্ট, আমরা জানি ভাত খাওয়ার আগে টিফিন খেলে আর ভাত খেতে পারব না। এই কারণে টিফিন খাইনি। আর আমাদের পিসি সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ করেছে। পিসি তার ব্যাগে করে একটা পলিথিন ব্যাগ নিয়ে গিয়েছিল। আমরা সেই পলিথিন ব্যাগেই সব টিফিন জমা করে রেখেছিলাম। সত্যি কথা বলতে পিসি পলিথিন ব্যাগ নিয়ে গিয়ে বেশ ভালো করেছে নাহলে টিফিনগুলো রাখার জায়গা পেতাম না।
পিসিকে যখন আমরা সবাই জিজ্ঞেস করলাম "পিসি তুমি হঠাৎ পলিথিন ব্যাগ কেন নিয়ে এসেছিলে?" তখন পিসি উত্তরে বলে "আমি জানি তো তোরা ভাত খাওয়ার আগে কেউ টিফিন খাবি না।" তারপর আমরা সবাই হাসতে শুরু করি.....
যাইহোক এবার আমরা বরের বাড়ির ভেতরে যাই এবং ভাত খেয়ে নেই কারণ আমার, বুনুর আর ঈশাদির খুব খিদে পেয়েছিল। আমাদের খাওয়া হয়ে যায় তবুও বরের গাড়ি আর আসে না।
আমার আরও বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করি তারপরেও আসে না।
ঈশা দিদি আর পিসেমশাই ফুটবল খেলা দেখার খুব ভক্ত। আর সেদিন ছিল ফুটবল ম্যাচ।
এদিকে বরের গাড়িও আসছে না...আবার এদিকে ফুটবল ম্যাচ শুরু হওয়ারও সময় হয়ে আসছে।
ফুটবল ম্যাচ শুরু হতেই ঈশা দিদি আর পিসেমশাই বলল চল বাড়ি যাই ম্যাচ দেখতে হবে। বউ দেখব না চল বাড়ি.....
সেই কথা শুনে আমরা সবাই বাড়ি ফিরে এলাম। আর ওখানে একা একা থাকতেও ভালো লাগতো না ঈশা দিদিকে ছাড়া।
আজ এখানেই শেষ করছি বন্ধুরা। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।



