হিমবাহ হয়ে
নমস্কার বন্ধুরা,
এই নিয়মে বাঁধা জীবনে একটু চেনা গণ্ডির বাইরে তো মন যেতেই চায়।অচেনা হাওয়ার হিমেল পরশ,কবিতার ছন্দে আকস্মিক ছন্দপতন এই তো জীবনের আরেক সুবাস।সময় এগিয়ে যাবে তার নিয়মে আমরাও কোথাও না কোথাও বদলাবো জেনে কিংবা নিজের অজান্তে।তবুও প্রেমে পড়লে এই কবিতার মরশুমে।
ছুঁয়ে প্রেম আসে হিমবাহ হয়ে—
প্রথমে বোঝা যায় না
কিছু এগিয়ে আসছে।
দূরের পাহাড়ে সাদা একটি রেখা,
আমি ভেবেছিলাম
দৃশ্যেরই অংশ।
তুমি খুব অল্প কথা বলতে।
একটি প্রশ্ন করে
উত্তরের জন্য বসে থাকতে।
আমি তখনও শিখিনি
কেউ অপেক্ষা করলে
তাড়াহুড়ো করে ভালো থাকার কথা
বলতেই হয় না।
তোমার পাশে বসে
পুরোনো একটি ঘটনার কথা বলেছিলাম।
এত দিন যাকে গল্পের মতো বলতাম,
সেদিন মাঝপথে গলা আটকে গেল।
তুমি জল এগিয়ে দিলে।
বাকিটুকু জানার জন্য
গ্লাস নামানো পর্যন্ত অপেক্ষা করলে।
প্রেমের এমন ধীর গতি
আমার চেনা ছিল না।
আমি জানতাম হঠাৎ ফোন,
রাতভর কথা,
একদিনেই সমস্ত দরজা খুলে দেওয়া।
তারপর প্রথম শীত পড়তেই
ঘরের ভিতরে হাওয়া।
তুমি দরজা খোলোনি।
অনেক দিন বাইরে বসেছিলে।
একদিন আমিই
ভিতর থেকে ছিটকিনি সরালাম।
তবু কাছে আসা
শুধু আরাম নিয়ে আসেনি।
আমার জমিয়ে রাখা নীরবতার নিচে
কত ধারালো পাথর ছিল।
কোনও কথায় তোমাকে আঘাত দিয়ে
বলেছি, আমি এমনই—
যেন বহু দিনের বরফ
কখনও গলতে পারে না।
তুমি সেদিন উঠে গিয়েছিলে।
যাওয়ার আগে বলেছিলে,
কাল কথা হবে।
সেই কাল পর্যন্ত
নিজের বলা কথার সঙ্গে
আমাকে একা থাকতে হয়েছিল।
এখন জানি,
হিমবাহও চলতে চলতে
উপত্যকার চেহারা বদলে দেয়।
দূর থেকে তার শান্তি দেখা যায়,
কাছাকাছি শুনতে হয়
বরফ ভাঙার শব্দ।
তোমাকে ভালোবাসতে গিয়ে
আমার ভিতরেও
কিছু পুরোনো পথ বন্ধ হয়েছে।
যে পথে রাগ হলেই চলে যেতাম,
যে পথে সমস্ত দোষ
অন্যের বাড়ি পৌঁছে দেওয়া যেত।
আজ তোমার হাত ধরলে
সেই প্রথম দিনের মতো
চমকে উঠি না।
আঙুলের ঠান্ডা ধীরে ধীরে
দুজনের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।
জানালার বাইরে বিকেল নামছে।
তুমি হাত ছাড়িয়ে
আলো জ্বালাতে ওঠো।
আমি হাত খুলেই রাখি—
ফিরে এসে বসার জায়গাটুকু
এখনও উষ্ণ।
VOTE @bangla.witness as witness

OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |




This reads like it was written by someone who actually did the image. A second visit to the same corner changes the picture more than new gear does. Does the place look like this at a different hour?