The Diary Game || 1 Nov 2026 || অনেকদিন পর বন্ধুর কাছ থেকে পিঠার দাওয়াত পেলাম।
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ।
কেমন আছেন স্টিমের সকল প্রিয় বন্ধুরা? আশা করি মহান আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। প্রতিদিনের মতো আজও নানা কাজ ও ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে আমার দিনটি কেটেছে। দিনের কিছু আনন্দময় মুহূর্ত, ছোট ছোট ঘটনা এবং সুন্দর অভিজ্ঞতা আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতেই আজকের এই ডাইরি গেম। আশা করি আমার আজকের দিনের গল্প আপনাদের ভালো লাগবে।
তারিখ ১/১১/২০২৬
প্রতিদিনের মতো আজকের সকালে ঘুম থেকে উঠে ফজর নামাজ পড়ে সরাসরি বাসায় চলে আসলাম। আজকে হাটাহাটি করিনি কারণ মাথাটা প্রচুর ব্যথা করতেছিল তার জন্য। যেহেতু আজকে অংক পরীক্ষা তাই বাসায় এসে কিছু কিছু অংক দেখে ঘুমিয়ে পড়লাম। আটটার সময় ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ ধুয়ে হালকা খাওয়া-দাওয়া করে মাদ্রাসায় চলে গেলাম। ঘুম থেকে উঠেও মাথাটা ব্যথা করতেছিল কিছু আর করার নেই যেহেতু পরীক্ষা তাই যেতেই হবে। পরীক্ষা আজকে আগে আগেই শেষ করে দিলাম কারণ ভালো লাগতেছিল না তার জন্যই। পরীক্ষা দিয়ে ১১ঃ০০ টার মধ্যে বাসায় চলে আসলাম। বাসায় আসার সাথে সাথেই শুয়ে পরলাম। আযানের সময় ঘুম থেকে উঠেছিলাম তখনও দেখি মাথা ব্যথা কমেনি। পরে নামাজ পড়ে মাথাব্যথা ওষুধ এনে দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।
আসরের সময় ঘুম থেকে উঠে প্রথমে গোসল করে নিলাম গোসল করার পর শরীরটা হালকা হয়ে গেল। তখন মাথা ব্যথাও ছিল না গোসল করে ঘরেই নামাজ পড়ে বাহিরে মাগরিবের আগ পর্যন্ত হাটাহাটি করলাম। মাগরিবের আজান দিলে মসজিদে চলে গেলাম। নামাজ শেষ করার পর বন্ধুর সাথে দেখা পরে আমরা মসজিদের বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ গল্প করলাম। এর মধ্যে দেখতে পেলাম আমাদের এলাকার বড় মাদ্রাসাটি বন্ধ শেষ হয়ে গিয়েছে। একা একা করে মাদ্রাসায় সবাই আসা শুরু করে দিয়েছে। পরে বন্ধ করলো বন্ধুর মাদ্রাসায় আজকে তাহলে পিঠা বানিয়েছে তা খাবারের দাওয়াত দিল।
পরে বন্ধুর সাথে মাদ্রাসায় চলে গেলাম পিঠা খেতে। প্রথমে গিয়েই ক্লাসে বসে ছাত্রদের সাথে কিছুক্ষণ কথা বললাম এবং কিছু ছাত্রদের পাড়া নিলাম এবং দিলাম। কারণ তখন এই ক্লাসের হুজুর পিঠা ভাসতেছিল। সবকিছু আগে থেকেই রেডি করে রেখেছিল শুধু ভাজাটাই বাকি ছিল। পিঠা ভাজতে ভাসতে তাদের পড়ানো আমার শেষ হয়ে গেল পরে সবা হুজুররা একসাথে বসে পিঠা খেলাম। এবং ছাত্রদেরকে একটি একটি করে দিলাম।খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আমি তাড়াতাড়ি বাসায় চলে আসলাম কারণ কোচিং এ যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছিল। বাসায় এসে তাড়াতাড়ি করে ব্যাগ গুছিয়ে কোচিংয়ে চলে গেলাম। কোচিং শেষ করে আমি আবারও মাদ্রাসার ওদিকে চলে গেলাম। কারণ বন্ধু বলে দিয়েছিল কোচিং শেষ করে মাদ্রাসার ওইদিকে যাইতে। মাদ্রাসায় গিয়ে প্রথমেই এশারের নামাজটা পড়ে নিলাম। তারপরে মাদ্রাসার বিষয় নিয়ে কিছু কথাবার্তা বললাম। মাদ্রাসা নূরানী বিভাগ একটু উন্নত করতে যাচ্ছিল তার জন্যই আমরা কয়েকজন বসে কথাবার্তা বললাম। কথা শেষ করে দিব এ মুহূর্তে আব্বু ফোন দিয়ে দিল আব্বুর অফিসের সামনে আসতে। অফিস বলতে যেখানে গাড়ি রাখে ওইখানে।
ওইখানেও আমি কথাবার্তা শেষ করি আব্বুর অফিসের সামনে চলে গেলাম। গিয়ে দেখি লাউ গাছ এবং কিছু বাজার নিয়ে আসছে। পরে আমি ওইগুলো নিয়ে বাসায় চলে গেলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই আব্বু বাসায় চলে আসলো। বাসায় এসার সাথে সাথে ওযু করে নামাজটা পড়ে নিল। নামাজ শেষ করে বাবার সাথে বাগানে চলে গেলাম লাউ গাছ লাগানোর জন্য। দুইটি লাউ গাছ ছিল সেগুলো টপ থেকে তুলে বাগানে একপাশে রেখে দিলাম। যেখানে গাছ লাগানোর কথা ওইখানে কিছু মাটি খুঁড়ে কিছু সার ছিল সেগুলো মাটির সাথে মিশিয়ে ওইখানেই দুটি লাউ গাছ লাগিয়ে দিলাম।গাছ লাগানো হয়ে গেলে গাছে কিছু পানি দিয়ে ঘরে চলে আসলাম। ঘরে এসে হাত মুখ ধুয়ে খাওয়া দাওয়া করে নিলাম। খাওয়া-দাওয়া শেষ করে আমি কিছুক্ষণ গেম খেলে ঘুমিয়ে পড়লাম।
এই ছিল আজকের আমার ছোট্ট Diary Game। আশা করি, আমার আজকের দিনের ছোট ছোট মুহূর্ত ও অভিজ্ঞতাগুলো আপনাদের ভালো লেগেছে। জীবনের প্রতিটি দিনই আমাদের নতুন কিছু শেখায় এবং নতুন নতুন অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়।
আজকের মতো আমার ডাইরির কথামালা এখানেই শেষ করছি। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং সব সময় হাসিখুশি থাকবেন। আবারও দেখা হবে নতুন কোনো দিন, নতুন কিছু গল্প ও সুন্দর মুহূর্ত নিয়ে।
আল্লাহ হাফেজ।
| Device | Name |
|---|---|
| Android | samsung |
| Camera | 64 mp |
| Location | Dhaka, Bangladesh 🇧🇩 |
| Short by | @rjabdullah |







