মায়া-কান্না

in আমার বাংলা ব্লগ10 days ago

39286.jpg
source

৫ আগস্টের আগে ভাত জোগাড় করতেই হিমশিম খাইতা, আর অহন আলাদিনের চেরাগ পাইয়া একেকজন যেন কলাগাছ হইয়া গেছো! বুঝলা চাদু, মানুষ সবই বোঝে,শুধু সবকিছুর জবাব তাৎক্ষণিকভাবে দেয় না। অনেক সময় জনগণ চুপ কইরা দেখে, মনে রাখে আর সময়ের অপেক্ষা করে।

মেয়রের ভোট আইতেছে। সময়মতো জনগণ সব হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় বুঝাইয়া দেবে। কে কতটা ত্যাগী, কে কতটা যোগ্য, আর কে শুধু ভংচং কইরা নিজের ঢোল নিজেই পিটাইছে, সবকিছুর হিসাব তখন পরিষ্কার হইয়া যাবে।

তাই রেডি থাইকো। জনগণের রায় কিন্তু ফেসবুকের পোস্ট, মায়া-কান্না কিংবা মুখস্থ করা গল্প দিয়া নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। একদিন না একদিন বাস্তবতার আয়নার সামনে দাঁড়াইতেই হয়।

আর কথায় কথায় এইসব “ত্যাগী ম্যাগি”র গল্প শোনাইও না চাদু। ত্যাগের গল্প তোমরা একা লিখো নাই; এই দেশের সাধারণ মানুষও কম ত্যাগ করে নাই। কেউ রাস্তায় ছিল, কেউ ঘরে থেকেও লড়ছে, কেউ জীবিকা হারাইছে, কেউ পরিবার হারাইছে,ভুক্তভোগী শুধু তোমরা একা না, বরং জনগণের একটা বড় অংশ।

মায়া-কান্নার দিন শেষ। এখন আবেগের চেয়ে হিসাব বড়, গল্পের চেয়ে কাজ বড়, আর পরিচয়ের চেয়ে যোগ্যতা বড়।

অহন জনগণই ঠিক করব,কে যোগ্য, কে অযোগ্য, কে মানুষের পাশে ছিল, আর কে শুধু সুযোগ বুঝে কলাগাছ হইয়া দাঁড়াইছে।

সময় খুব বেশি দূরে নাই।
চুপ কইরা থাকা মানুষগুলার মুখ খুলার দরকার হয় না,তাদের একটা ভোটই অনেক কথা কইয়া দেয়।

রেডি থাইকো চাদু, জনগণের হিসাবের খাতা কিন্তু বন্ধ হয় নাই, শুধু সঠিক সময়ের অপেক্ষায় আছে।