আলাভোলা
বুঝেশুনে পা ফেলার পরেও ভুল হয়; ভুল হয় মানুষ চিনতে কিংবা বুঝতে। দোষত্রুটির টানাহেঁচড়া না করে বরং নিজেকেই সান্ত্বনা দিই। বলি, নিজের আরও অনেকটা শেখার আছে।
বিনা স্বার্থেই বাজারে যে ছেলেটা পিছনে পিছনে ঘোরে, ভুলেও তো তার কোনো দিন খোঁজ নিইনি। বরং দেখা হলেই সে হেসে খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করে। এ গলি, সে গলি ঘুরে বারবার কাছাকাছি ঘেঁষাঘেঁষি করে।
কত মানুষের কাছে যে ঋণী, তার হিসাব কি আদৌ কখনো করে দেখেছি? বরং বারবার যেখান থেকে নিগৃহীত হয়েছি, সেখানেই কোনো না কোনো ছলে আবারও ফিরে গিয়েছি।
আছাড় খেয়েছি, ভেতরে ভেতরে মচকেছি; তারপরও অনেক জায়গায় তা প্রকাশ করিনি। বরং ঢকঢক করে অহেতুক তির্যক মন্তব্যের শরবত নির্দ্বিধায় গিলেছি।
বিষিয়ে উঠতে চাইলেই কি আর বিষিয়ে ওঠা যায়! কেউ না কেউ ঠিকই খপ করে হাতটা ধরে ফেলে। এমনটাও হয়েছে—আচমকা ঘন চুলের ছেলেটার আগমন, "ধুর ভাই, চলেন তো চা খাই। কিসের এত টেনশন-ফেনশন? এক কাপ রং চা খাবেন, দেখবেন সব ঠান্ডা হয়ে গেছে।"
আসলেই ঠান্ডা হয়ে যায় মস্তিষ্ক, কিংবা মানসিকতা। যখন দেখি আলাভোলা ছেলেটার নিষ্পাপ চাহনি অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকে, তখন মনে হয় পৃথিবীর জটিল ব্যাকরণ যত ভুলে থাকা যায়, ততই হয়তো ভালো থাকা সম্ভব ।
এ বাজারে অসংখ্য মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে, ভাবের আদান-প্রদান হয়েছে, সখ্য হয়েছে অনেকের সঙ্গেই। তবে আলাভোলা ছেলেটার প্রতি হঠাৎ করেই যে মায়া জন্মেছে, তা হয়তো সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে ঠেকেছে।

Thank you for sharing this wonderful post. I really enjoyed reading it and appreciate the effort you put into creating such meaningful content. Your ideas are interesting and presented clearly. Wishing you continued success on Steemit, and I look forward to reading more of your future posts. Keep up the great work!