প্রতারক ছোট ভাইয়ের গল্প পর্ব এক।
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম,
হ্যালো, আমার প্রিয় বন্ধুরা,
শুভ সন্ধ্যা,
সবাইকে জানাই আমার আন্তরিক সালাম ও শুভেচ্ছা আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন এবং সুস্থ আছেন আলহামদুলিল্লাহ ভালো আল্লাহ সুবহানাতায়ালার অশেষ রহমতে আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি আজ আমার নিজের একটি গল্প নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি।
আমি কল্পনাই করতে পারি নাই যে আমার নিজের একটি গল্প থাকবে সেটি আবার আপনাদের কাছে এভাবে শেয়ার করা লাগবে যাইহোক গল্প যখন শুরু করছি তখন বেশি কথা বলবো মূল গল্প আমি লিখতে শুরু করি তো চলুন।
আমরা মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির মানুষ আমার আব্বু অনেক আগে থেকেই অসুস্থতার কারণে বেশি কাজকর্ম করতে পারে না আমরা পাঁচ ভাই বোন চারটা ভাই এবং একটা বোন। এই গল্পটা শুরু করার আগে আরেকটা কথা আপনাদের কাছে অবগত করি আমার আব্বু এর আগে আরো দুইটা বিয়ে করছে তবে আমার সেই আম্মু গুলো আর এই পৃথিবীতে বেঁচে নাই।
আমার আগের আম্মুর দ্বারা দুইটা ভাই আর আমার আম্মুর আমরা তিন ভাইবোন দুই ভাই একটা বোন আমরা যখন খুবই ছোট ছোট তখন আমার আরো দুইটা ভাই বড় বড় ছিল তারা আব্বুর সংসারে থাকতো না তারা সব সময় আলাদা ছিল। এভাবে আমাদের সংসার চলছিল আব্বুর কিছুটা পরিশ্রমে আর আমরা যখন একটু বড় হয়েছি তখন আব্বুর সাথে পরিশ্রম করতাম।
এভাবে এভাবেই আমরা তিন ভাই বোন বড় হয়ে গিয়েছি আমার বয়স যখন 18 বছর ছিল তখন এসএসসি পাস করে আর কলেজে ভর্তি হয় নাই আমার ছোট ভাই ক্লাস থ্রি পর্যন্ত পড়ে আর স্কুলে যাই নাই সে স্কুলে যেতে ভালোবাসে না তবে আমার পড়াশোনার প্রতি অনেক আগ্রহ ছিল পরিবারের হাল ধরতে গিয়ে আমার আর পড়াশোনার করা হলো না।
এসএসসি পাস করে আমি পরিবারে হাল ধরতে বিভিন্ন কাজে জড়িয়ে পড়লাম যেমন মাঠে ধান কাটা জমি দেখাশোনা করা অন্যের বাড়িতে কাজ করা ভাটার সিজনে ভাটায় কাজ করা। আস্তে আস্তে আমাদের সংসারটা কিছুটা স্বাবলম্বী হতে শুরু করল এরপর আমি ভাবলাম আর একটু ভালো থাকতে হলে বেশি ইনকামের প্রয়োজন তাই আমি আমার আব্বুর সাথে পরিকল্পনা করে দেশের বাইরে আসার চিন্তা করলাম।
তখন আমার পরিবারে আমি সহ পাঁচজন মেম্বার সবাই আমার বিপক্ষে থাকলেও আমি নিজে সাহস দেখিয়ে দেশের বাইরে আসার সিদ্ধান্ত নিলাম দেশের বাইরে আসবো কিন্তু টাকা কোথায় পাবো এটা একটি বড় চিন্তা।
এই গল্পটি আগামী পর্ব এখান থেকেই শুরু হবে আজকের মত আমি এখানে বিদায় নিচ্ছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশাই করি আল্লাহ সবার মঙ্গল করুন।
Posted with Speem




Dejar los estudios a los 18 años para trabajar en la cosecha y sostener a tu familia de 5 hermanos muestra un sacrificio enorme. Cargar con tanta responsabilidad desde tan joven pasa factura al cuerpo, por eso lo que me funciona siempre es buscar pequeñas pausas para cuidarse y no perder el bienestar. Quedo a la espera de la siguiente parte para saber cómo afrontaste la búsqueda de ese dinero. 🌱