Better Life with Steem||The Diary Game|| 02 August 2026||
প্রতি দিনের মতো আজও সকাল সকাল ঘুম থেকে জেগে উঠি।ঘুম থেকে উঠেই সরাসরি টিউবওয়েল পাড়ে গিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নিজেকে ফ্রেশ করি।এরপর সরাসরি আমার রুমে চলে যাই।রুমে গিয়ে বসতেই একটু পর আমার ওয়াইফ একটি বড়
আম হাতে দিয়ে খেতে বলে।তখন আমি আমটি না খেয়ে আগে একটি ছবি তুলে রাখি।এরপর তাকে বলি, আমটি ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিয়ে আসতে। সে কেটে নিয়ে এলে আমি ও পরিবারের সবাই মিলে অল্প অল্প করে আম খাই।
আম খাওয়ার পর সকাল সাড়ে আটটার দিকে ছোট ভাই ফরিদের দোকানে যাই। সেখানে গিয়ে ২০ টাকার একটি সিভিট নিয়ে আসি। কারণ নাকের পলিপাসের জন্য আবার অপারেশন করেছি,তাই এখনো হালকা ঘা রয়েছে। ঘা দ্রুত শুকানোর জন্য নিয়মিত সিভিট খাই। সিভিট খেয়ে অল্প কিছু সময় পর বাড়িতে ফিরে সকালের খাবার খাই।
সকালের খাবার শেষ করে স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা দিই। বর্তমানে স্কুলে পরীক্ষা চলছে এবং ৯ তারিখ পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। তাই প্রতিদিনের মতো আজও সকাল সাড়ে ৯টার আগেই স্কুলে পৌঁছে অফিসে গিয়ে বসি। কিছুক্ষণ পর দপ্তর আমাদের জন্য চা তৈরি করে নিয়ে আসে। আমরা সবাই চা পান করার আগে আমি একটি ছবি তুলে রাখি। এরপর চা পান করি।
সাড়ে ৯টার আগেই পরীক্ষার্থীদের খাতা দেওয়া হয়। তারা খাতা পেয়ে নাম, রোল ও প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে। এরপর ঠিক সকাল ১০টায় প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হলে তারা লেখা শুরু করে। আমরা শিক্ষকরা খাতায় স্বাক্ষর করি এবং উপস্থিতি সম্পন্ন করি।
এভাবেই আজও সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। নির্ধারিত সময় শেষে খাতাগুলো অফিসে জমা দিয়ে কিছুক্ষণ সেখানে অবস্থান করি। এরপর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিই।
বাড়ি ফেরার পথে আবার ফরিদের দোকানে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি অনেক ভিড়। কেউ বিকাশে টাকা
তুলছে, আবার কেউ ওষুধ কিনছে। এমন ব্যস্ত পরিবেশ দেখে কয়েকটি ছবি তুলে রাখি।
এরপর দোকানের ভেতরে বসে ফরিদের সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প করি।
এমন সময় মিল্টন দোকানে এসে প্যানটোনিক্স গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ কিনে নিয়ে যায়। সেই মুহূর্তেরও
একটি ছবি তুলে রাখি। এরপর প্রায় দুপুর ২টা পর্যন্ত ফরিদের দোকানে থেকে বাড়িতে ফিরে আসি।
বাড়িতে এসে ফ্রেশ হয়ে দুপুরের খাবার খাই। দুপুরের খাবার শেষে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাড়িতেই বিশ্রাম নিই। এরপর বিকেল ৪টার পর মাস্টার বাজারে যাই।
মাস্টার বাজারে গিয়ে দেখি গাজী মামা ও পরিতোষ দাবা খেলছেন। তাদের খেলা কিছুক্ষণ উপভোগ করি এবং কয়েকটি ছবি তুলে রাখি। পরে তাদের খেলা শেষ হলে আমি ও মোশাররফ দাবা খেলি। এরপর মোশাররফের পরিবর্তে আজাদ সহকর্মীর সঙ্গে খেলি এবং পরে বেলালের সঙ্গেও খেলি। অর্থাৎ আজ মোট তিনজনের সঙ্গে দাবা খেলার সুযোগ হয়।
আজকের দাবার খেলাগুলো বেশ উপভোগ্য ছিল। বিশেষ করে আজাদ খুব ভালো খেলোয়াড় হলেও আমি তাকে দুটি খেলায় হারাতে সক্ষম হই। বিষয়টি দেখে আশপাশের সবাই অনেক আনন্দ করে এবং হাসাহাসি করে। অনেকে বলছিল, ‘হাফিজ তো এখন অনেক ভালো দাবা খেলছে।’ আলহামদুলিল্লাহ,
নিয়মিত অনুশীলন করার কারণে ইদানীং দাবায় আগের চেয়ে অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে পারছি। তবে আমি সব সময় মনে করি, অন্যজন যখন ভালো খেলে তখন তাকেই ভালো খেলোয়াড় বলা উচিত। তবুও আজ উপস্থিত সবার প্রশংসা আমার দিকেই ছিল, যা আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছে।
রাত প্রায় ৮টা পর্যন্ত মাস্টার বাজারে সময় কাটানোর পর বাড়ি থেকে ফোন আসে। এরপর সঙ্গে সঙ্গে বাড়িতে ফিরে আসি। বাড়িতে এসে ফ্রেশ হয়ে পরিবারের সবার সঙ্গে রাতের খাবার খাই। কিছুক্ষণ মোবাইলে সময় কাটিয়ে রাতের নির্ধারিত সময়ে ঘুমিয়ে পড়ি।
যাইহোক,এভাবেই কেটেছে আমার আজকের পুরো দিন। আশা করি আমার আজকের দিনলিপিটি আপনাদের ভালো লাগবে।যদি ভালো লাগে,তাহলে অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে আপনাদের মূল্যবান মতামত জানাবেন।সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।








