বোনের জন্মদিন উপলক্ষে কেনাকাটা

in Incredible India3 days ago

নমস্কার বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। আজকে আবারো নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি আপনাদের মাঝে আশা করছি সকলেরই ভালো লাগবে।

IMG_20260808_220321.jpg

আজ বাইশে শ্রাবণ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু দিন। আসলে এই দিন গুলোর সাথে আমাদের ও ছোটবেলায় বহু স্মৃতি রয়েছে।গতকালকে ছিল বড় মামার মেয়ের জন্মদিন। মামি আর বোনের জন্মদিন নিয়ে এর আগে অনেকবারই আপনাদের বলেছি। মামীর জন্মদিন ২৪শে বৈশাখ আর বোনের জন্মদিন একুশে শ্রাবণ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনের আগের দিন মামির জন্মদিন।আর বোনের রবীন্দ্রনাথের মৃত্যু দিনের আগের দিন জন্মদিন। গতকালকে বোনের জন্মদিন উপলক্ষেই কিছু কেনাকাটা করতে গিয়েছিলাম সেই মুহূর্তই আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নেব। আসলে বেশ কিছুদিন মানসিক অশান্তিতে থাকার কারণে কোনো কিছুই আর ভালো লাগে না।পরিস্থিতি মানুষকে মানসিক অশান্তির দিকে আরো ঢেলে দেয়। যার কারণে কোন কিছু করতে মন চায় না। চাইলেই করতে ইচ্ছেও করেনা। তাই মাঝেমধ্যে যদিও বা মন চায় পোস্ট লেখার জন্য তবুও মাথায় যেন অন্য এক অশান্তি পাক খায়। তাই মন থেকে চাইলেও যে কোন কাজ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।

IMG20260807140109.jpg

গতকাল ঘুম থেকে উঠে আকাশ মেঘলা ছিল। একটু রোদ উঠছে কখনো আবার বৃষ্টি। এই করে করেই কালকের দিনটি কেটেছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে ভেবেছিলাম একটু তাড়াতাড়ি বেরোবো কেনাকাটা করবার জন্য। কিন্তু শাশুড়ি মায়ের সাথে গল্প করতে করতে অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছিল। শাশুড়ি সব সময় সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। যাতে আমি সব সময় হাসিখুশি থাকতে পারি।এদিকে রাস্তায় বেরিয়েই একটা টোটো নিয়ে নিয়েছিলাম। টোটো করে যেতে যেতেই পড়েছিলাম প্রচন্ড জ্যামে। কারণ সেই সময়টা বাচ্চাদের স্কুল ছুটির সময়। এখন ছোট থেকে বড় সকলেরই পরীক্ষা চলছে। সকলেরই মোটামুটি দেড়টার সময় পরীক্ষা শেষ। তাই সেই সময়টা রাস্তাতে প্রচন্ড ভিড় হয় ।যাই হোক দাঁড়াতে দাঁড়াতে শেষে পৌঁছে গিয়েছিলাম আমার গন্তব্যস্থলে। যখন নিজের সাথে কোথাও যাওয়ার জন্য চাইলেও কাউকে পাওয়া যায় না তখন একা একাই চলে যেতে হয়। তবে আমি গতকালকে কাউকে নিজের সাথে যাওয়ার জন্য বলিনি।

IMG20260807140545.jpg

কারণ নিজেরই মাথার ঠিক নেই। কখন যাব আদেও যাব কিনা ঠিক ছিল না। যাইহোক চলে গিয়েছিলাম সোজা একটা জামাকাপড়ের দোকানে । কেনাকাটা করতে যাওয়ার আগে মজার বিষয় হল বোন ফোন করে বলছিল দিদি কখন আসবে আশার সময় হাতে করে গিফট নিয়ে আসবে। তার যত আবদার তার দিদির কাছে। ওর মন পছন্দ মতো জিনিস আমি বুঝি আর আমি ওকে দিই। তাই আমার সাথে এত ওর চাওয়া পাওয়া। দোকানে গিয়ে নিজে বেশ কয়েকটা জামা পছন্দ করেছিলাম ।এরপর বোনকে ভিডিও কলে দেখালাম কোনটা নিবি। ও ভিডিও কলে বুঝতে পারছিল না ।তাই আমি পছন্দমত দুটো জামা কিনে নিয়েছিলাম। এরপর দিদা বলল বোন স্কুলে যায়। তাই তার জন্য একটা ছাতা নেওয়ার জন্য। সেটাও পছন্দ মতো কিনে নিয়েছিলাম। দুপুরে ফুলের দোকান গুলোতে ফুল দেখে ভীষণ লোভ লাগছিল। ফুল তো আমার ভীষণ প্রিয়। তাতে আবার আবার পছন্দের জুঁই ফুল টাঙানো ছিল।

এরপর সোজা চলে গিয়েছিলাম একটা কেকের দোকানে। বড়মামা বলেছিল সেখান থেকে একটা কেক নিয়ে আসতে। কেকের দোকানে যাওয়ার পর বোন কে ভিডিও কলে কেক দেখানো হলো। তার পছন্দমত একটা কেক নিয়ে আবারো বেরিয়ে পড়েছিলাম। এদিকে আকাশ ছিল প্রচন্ড মেঘলা। যখন তখন বৃষ্টি নামতে পারে। এদিকে দুহাত ভর্তি জিনিস নিয়ে আবারও একটা টোটো নিয়ে নিয়েছিলাম। টোটো ধরে বাড়ির কাছে নেমে বাড়িতে শাশুড়ি মাকে সমস্ত জিনিস দেখিয়ে আবারো মামার বাড়ি তে চলে এসেছিলাম। বড় মশাই তখনও রেডি হয়নি ।ও রেডী হতে ব্যস্ত ।এদিকে আমি চলে এসেছিলাম মামার বাড়িতে। এরপরে হয়েছিল দুপুরের সমস্ত আয়োজন ।পরের মুহূর্ত পরের পোস্টে শেয়ার করে নেব।


আজ এখানেই শেষ করছি। আবারো নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হব আগামীকাল। সকলে ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন।

Sort:  
Loading...

Congratulations! Your post has been upvoted from sc-07 account.

1000093595.png

Curated by : @ wirngo
 2 days ago 

Thank you 🙏