কর্মব্যস্ততা এবং মা দুর্গার দর্শনে অতিবাহিত একটি দিন!

আজকের দিনটি আর পাঁচটা দিনের মতোই অতিবাহিত হয়েছে বটে, তবে এই মুহূর্তে যেহেতু আমার শহর জনপ্রিয় এবং সবচাইতে বড় উৎসবের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে,
তাই মা দুর্গার আগমনের হাত ধরে একটা গোটা শহরের বেশিরভাগটাই আলীর রোশনাইতে ঢেকে গিয়েছে।
সকলের মধ্যে একটা আলাদা আমেজ, আনন্দ ঘনো পরিবেশ সবটা চিরাচরিত জীবনশৈলি থেকে ব্যতিক্রমী।
রোজকার যাতায়াতের পথ চেনা, কিন্তু সেখানে মা দুর্গার অবস্থান হয় বছরে একটি সময়, এই শরৎকালে!
একটা গোটা বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে মায়ের এই আগমন অনেক পরিচিত আর এক ঘেয়েমি জীবনধারা থেকে মুক্ত করে মানুষদের।
![]() | ![]() |
|---|
আজকে সকালে যথা সময়ে নিজের শোরুমে পৌঁছনোর রাস্তায় দেখা হয়েছিল মা দুর্গার সাথে।
এমনিতে নিজের পাড়ায় মায়ের সাথে প্রথম দেখা করে এসেছিলাম, যার বিস্তারিত লেখায় ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি।
তবে, কলকাতার বহু জায়গায় এই পুজো অনুষ্ঠিত হয়, আর এখনো পর্যন্ত দশমীতে ঠাকুর দর্শনের প্রোগ্রাম করা আছে, তবে আজকে নিজের কাজের জায়গায় মায়ের পুজো দেখে দাড়িয়ে কিছু ছবি তুলেছিলাম।

![]() | ![]() |
|---|
এরপর পৌঁছে গিয়েছিলাম শোরুমে! যেহেতু পুজো শুরু গিয়ে গিয়েছে, তাই কাস্টমারের ভিড় খানিক কমে গিয়েছে।
একটা সময় ফাঁকা বসে ছিলাম, সেই সময় নিজের পাশাপশি কিছু ছবি শোরুমের ভিতরের তুলেছিলাম।
আজকের দিনের বিস্তারিত লেখায় তুলে ধরবার জন্য।
ব্যবসায় যুক্ত হয়ে বেশকিছু অভিজ্ঞ্যতা সঞ্চয় করছি, সেটা ভিন্ন ভিন্ন মানুষের আচরণ হোক, কিংবা দোকানের নতুন পুরোনো কর্মচারীদের ব্যবহারের পার্থক্য।

জানিনা আগামী বছর কি পরিস্থিতি থাকবে, তবে এই বছর সকলে বোনাস পেয়ে রোজ কিছু না কিছু খাওয়াচ্ছে।
একজন যেমন সকলকে আইসক্রিম খাইয়েছে, কেউ খাইয়েছে মিষ্টি দই, আমার কেউ মঙ্গো লাস্সি, কেউ কোল্ড ড্রিঙ্কস!
সকলেই বাড়িতে খেতে পায়, কিন্তু একসাথে সামান্য জিনিষ ভাগ বাটোয়ারা করে খেলে তার আনন্দ এই উৎসবের দিনগুলোকে আর অধিক গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।
এই মুহূর্তগুলোই তো সত্যি, আগামী বছর কি হবে সেটা কি কারোর জানা আছে?
কাজেই, আমি বর্তমানকে গুরুত্ব দেওয়াতেই বিশ্বাসী।

এরপর, ফেরার সময় ট্রেনে বসে কিছু ছবি তুলে নিয়েছিলাম, সাথে মনে পড়েছিল, আগামীকাল মঙ্গলবার, কাজেই ঠাকুরকে দেবার ভাজা ছোলা আনতে হবে।
তাই, ট্রেন থেকে নেমে পৌঁছে গিয়েছিলাম পাড়ার দোকানে, আর যাওয়ার পথে দর্শন করেছিলাম আমার পাড়ার দ্বিতীয় পুজো প্যান্ডেলে গিয়ে মা দুর্গার সাথে।

![]() | ![]() |
|---|
সেই প্যান্ডেলে একজন কর্মকর্তা অ্যানাউন্স করছিলেন, তারা খিচুড়ি ভোগ বিতরণ করছেন।
তাই ছোলা কিনে ফেরার পথে বসে গিয়েছিলাম মায়ের প্রসাদ খেতে।

এরপর, যখন ফিরছি, দেখলাম আলোক সজ্জায় সাজানো পুজোর গেট, সেটার ছবি তুলে নিয়ে, পা বাড়াতে গিয়ে চোখে পড়লো, একটি বাড়ির দুর্গাপুজো, যেটি তারা প্রতি বছর আয়োজন করে থাকেন।

![]() | ![]() |
|---|

এক্ চালায় মায়ের অবস্থান তার সন্তানদের নিয়ে আমায় বেশ আকৃষ্ট করে।
তাই, মায়ের দর্শন তথা ছবি তুলে পা বেড়িয়েছিলাম নিজের বাড়ির পথে।
এইভাবে ব্যস্ততার মাঝে আর উৎসবের সাথে জীবন থেকে আরো একটি দিন কমে গেলো, তবে পিছনে পড়ে রইলো বেশকিছু ভালো লাগা আর বেশ কিছু অভিজ্ঞতা।










Ese detalle de los dulces que se comparten en el showroom — helado, mishti doi, mango lassi — dice más del clima de Durga Puja que cualquier foto del pandal. Acá en Paraguay el equivalente sería la Navidad, pero sin esa costumbre de que el patrón convide a todos por igual. Ojo con esto: cuando la bonanza llega a todos, la productividad sube sola.
Congratulations!
Your comment has been visited and supported by the Steem Dream Team through the @booming02 curation account.
We appreciate the effort and value you bring to the Steem community. Keep creating quality content, engaging with others, and contributing to the growth of our ecosystem.
Congratulations!
Your post has been visited and supported by the Steem Dream Team through the @booming02 curation account.
We appreciate the effort and value you bring to the Steem community. Keep creating quality content, engaging with others, and contributing to the growth of our ecosystem.
Lo que más me llamó la atención es que en Kolkata el volumen de gente en las calles se mantiene a pesar de que el comercio baja: el mercado muestra ese patrón cada festival. La foto del dulce de yogur y el mango lassi que comparten en el local dice más de la acumulación social que cualquier gráfico on-chain. ¿El soporte de clientes en el showroom aguanta hasta Dashami o ya se cae del todo?