দুর্গাপূজার প্যান্ডেল, শেষ পর্ব।
![]() |
|---|
আশা করি, সকলে অনেক ভালো আছেন। আমিও বেশ ভালো আছি।
দূর্গাপূজা নিয়ে ইতোমধ্যে অনেকগুলো লেখা শেয়ার করেছি। আজ দুর্গাপূজা ঘোরাঘুরি শেষ পর্ব নিয়ে হাজির হয়েছি।
বিগত পোস্টে আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম সপ্তমী পূজার দ্বিতীয় দিন বন্ধুকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার মুহুর্ত। আজকের পোস্টে তার পরবর্তী অংশ শেয়ার করবো। শিব বাড়ি মোড়ে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজার প্যান্ডেল ঘুরে দেখার পর আমরা চলে গিয়েছিলাম সোনা পট্টি কমিটির প্যান্ডেল দেখতে।
প্রতিটা জায়গার নামের পেছনে কোনো না কোনো কারন অবশ্যই থাকে। এই জায়গার নাম সোনা পট্টি কারন এই মার্কেটে সোনার অলংকার বিক্রি করা হয় বা তৈরি করা হয়। এই মার্কেটের মালিকদের বড় একটা অর্থায়ন থাকে পূজায় তাই এই নাম করন করা হয়েছে৷
নামকরণের পেছনে কারন যেটাই থাকুক না কেন পূজার আয়োজন ছিলো এক কথায় অসাধারণ।
এই প্যান্ডেলটা আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে। ঠিক যেন চোখের শান্তি।
প্যান্ডেলের বাইরে ও ভেতরে খুব সুন্দর ভাবে সাজানো ছিলো। প্যান্ডেলের খানিক দুরে লাইটিং এট মাধ্যমে সুন্দর ভাবে একটা গেট তৈরি ছিলো। দিনের বেলায় এই গেটগুলো খুব একটা ভালো না লাগলেও রাতের বেলায় যখন আলো ঝলমল করে তখন সেটার আসল সৌন্দর্য ফুটে ওঠে।
আশা করি, আপনাদের কাছেও এই প্যান্ডেলটা পছন্দ হয়েছে। খুলনাতে এত জায়গায় পূজা হয় যে একদিন সবগুলো প্যান্ডেল ঘুরে দেখা সম্ভব হয় না।
পূজার মাত্র এ কদিনের জন্য এত আয়োজন, ভাবতেই অবাক লাগে। সত্যি বলতে, মানুষ যে দিনগুলোর জন্য যত বেশি অপেক্ষা করে সেই দিনগুলো তত স্পেশাল ভাবে উদযাপন করে, আর দূর্গা পূজার জন্য আমাদের অপেক্ষা কতটা সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
প্যান্ডেলের ভেতরে লোকসংখ্যা দেখে বুঝতেই পারছেন কতটা ভীড় হয়েছিলো।
এই প্যান্ডেলের আরেক বিষয় খুব ভালো লেগেছিলো সেটা হলো -প্যান্ডেলের ভেতরে সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর ও কলি যুগে ঈশ্বরের ভিন্ন ভিন্ন রূপ উপস্থাপন করা ছিলো। ছবিতে তার কিছু অংশ তুলে ধরেছি। বাস্তবের সৌন্দর্য হয়ত ছবিতে সম্পূর্ণ ফুটিয়ে তোলা সম্ভব নয়।
২০২৬ সালের দুর্গাপূজা হয়ত শেষ হয়েছে তবে স্মৃতিগুলো থেকে যাবে আজীবন। কত অপেক্ষা নিয়ে বসে থাকা এই দিনগুলোর জন্য। তবে কথায় আছে, সুখের মুহুর্ত বেশিক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আবারও অপেক্ষা শুরু হলো পরবর্তী বছরের জন্য।
এবছরের পূজা আমার বেশ ভালো কেটেছে। তবে হ্যা, ৬ দিন পূজা হয়েছে বটে তবে আমি ঘুরতে বেরিয়েছিলাম ৩ দিন। আসলে প্রতিটা দিন ঘুরতে বেরোনোটাও কষ্টকর হয়ে যায়।
এবছরের পূজায় অপূর্ণতা বলতে, এবছর আমি অঞ্জলি দিতে পারিনি কারন ভারতে আমার এক বড় মা মারা গিয়েছিলো কয়েকমাস আগে তাই অশৌচের কারনে অঞ্জলি দিতে পারিনি। আশা করি, পরবর্তী বছর সেই ইচ্ছেটাও পূর্ন হবে।
আজকের মতো এখানে বিদায় নিচ্ছি, সকলে ভালো থাকবেন।










I find that places are the most beautiful when it is dark, because of the colourful light, it is like fairy tale :)
Thank you very much, ma'm for your support and feedback.