প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ ( পর্ব ৯ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে 'প্রাচীন মন্দিরের গোপন কক্ষ' গল্পের নবম পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর অরিন্দম আর রাহুল দৌড়ে গেল। স্তম্ভের গায়ে একটি নাম খোদাই করা, ধুলো সরাতেই নামটি স্পষ্ট হয়ে উঠল- "রুদ্রনারায়ণ"। অরিন্দম স্তব্ধ হয়ে গেল...এটা অসম্ভব! মেঘলা অবাক হয়ে বলল- কেন? কারণ রুদ্রনারায়ণ ছিল আমার দাদুর নাম। কয়েক মুহূর্ত কেউ কথা বলতে পারল না। মনে হচ্ছিল রহস্য ক্রমশ আরও গভীর হচ্ছে।দাদুর নাম এখানে এল কীভাবে? তাহলে কি দাদু সত্যিই এই জায়গায় এসেছিল? অরিন্দমের হাত কাঁপছিল। সে স্তম্ভের নিচে আরও কিছু লেখা দেখতে পেল। ধুলো পরিষ্কার করতেই বাক্যটি প্রকাশ পেল- "যিনি পথ দেখেছেন, তিনি ফিরে গিয়েছেন।
কিন্তু যিনি দ্বার খুলবেন, তিনি আর ফিরবেন না।" তাদের শরীরের লোম খাড়া হয়ে গেল। ঠিক তখনই পুরো কক্ষ কেঁপে উঠল।গর্জনের মতো শব্দ হলো- গ্রররররর...। চারপাশের দেয়াল কাঁপতে লাগল, ছাদ থেকে ধুলো ঝরে পড়তে শুরু করল।রাহুল চিৎকার করে উঠল- ভূমিকম্প! কিন্তু ব্যাপারটা ভূমিকম্প ছিল না। কক্ষের উত্তর দিকের দেয়াল ধীরে ধীরে সরে যেতে শুরু করেছে। শতাব্দী ধরে বন্ধ থাকা একটি বিশাল পাথরের দরজা খুলছে। গম্ভীর শব্দে দরজাটি খুলে গেল।তার ওপারে দেখা গেল আরেকটি অন্ধকার পথ।কিন্তু এবার শুধু পথ নয়, দরজার ওপারে দাঁড়িয়ে আছে কিছু একটা। মানুষের মতো, তবে মানুষ নয়।তার উচ্চতা প্রায় আট ফুট। সারা শরীর কালো কাপড়ে ঢাকা। কিন্তু মুখ দেখা যাচ্ছে না।.....
