বাবার শেষ অ্যান্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন!
নমস্কার বন্ধুরা,
বাবা কলকাতায় এসেছে মূলত ডান চোখের ছানি অপারেশনের জন্য। কিন্তু অপারেশনের দিনক্ষণ ঠিক করার মাঝেই পিসের মা গত হলেন তাই শ্রাদ্ধ শেষ হওয়া পর্যন্ত সেটা আটকে রাখা হলো। তবে বাবার অ্যান্টি র্যাবিসের চতুর্থ অর্থাৎ শেষ ডোজ বাকি ছিল। সেটা কোলকাতাতেই দেওয়ানো হবে। ঘটনার সূত্রপাত গত মাসে। ১৫ আগস্ট রাতে বোনের বেড়াল আমার পায়ে আঁচড় দিলো। ঠিক তার পর দিন, ১৬ আগস্ট, বাড়িতে আমাদের পোষ্য বেড়ালের আঁচড় খেলো বাবা। আমার বিশেষ আঁচড় না লাগলেও, বাবার পায়ের আঙুলে রক্তারক্তি অবস্থা। বাবা একেবারে সময় নষ্ট করেনি, আঁচড়ের পরের দিনই ভ্যাকসিন নেওয়া শুরু করে দিয়েছিল। আমি বাবার দেখাদেখি পরদিনই ভ্যাকসিন নেওয়া শুরু করি।
আমি কোলকাতায় দুটো ভ্যাকসিন ডোজ নিয়েছিলাম বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল। বাবার শেষ ডোজটা দিতে সেখানেই গেলাম। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর টের পেলাম, প্রয়োজনের তুলনায় একটু বেশি সকালে চলে এসেছি। টিকিট কাউন্টার শুরু হতে তখনও কিছু দেরি। বসে সময় নষ্ট করার কোনো মানে হয় না, তাই চটজলদি মোবাইলেই অনলাইন ওপিডি টিকিট কেটে নিলাম। এরপর ছুটে একটা দোকান থেকে টিকিটের প্রিন্টআউট করিয়ে হাসপাতালের ওপিডির ডাক্তার বাবুর কাছে গেলাম। উনিও সাথে সাথে ডোজের কথা লিখে দিলেন। কাগজপত্র হাতে সোজা ভ্যাকসিনের ঘরের দিকে পা বাড়ালাম। কিন্তু সেখানে পৌঁছেও দাঁড়িয়ে পড়তে হলো। সকাল ৯ টা বাজলেই দরজা খুলবে। আবার অপেক্ষা, তবে মাত্র ৭ মিনিট দাঁড়ালাম।
ঘড়ির কাঁটা নটা ছুঁতেই দরজা খুলে দেওয়া হলো। আমি চটপট উঠে ঘরের দিকে এগোলাম, তবে সেখানে দেখি এক ভদ্রলোক আমার আগেই পৌঁছে গেছে। তাতে অবশ্য কোনো সমস্যা হয়নি, কারণ লাইনে আমরা দ্বিতীয়। মাত্র দুমিনিট দাঁড়াতেই ভেতরে যাওয়ার সুযোগ এলো। ডোজ দিতে সময় লাগল আরও দুমিনিট। মুহূর্তের মধ্যেই বাবার শেষ ডোজ সম্পন্ন। হাসপাতাল চত্বর থেকে বাবাকে নিয়ে সোজা বাসস্ট্যান্ডে এলাম। বাবাকে সাবধানে বাড়ি ফিরতে বলে আমি আমার ক্লায়েন্টের অফিসের দিকে ছুটলাম। অনেক কাজের চাপ অপেক্ষা করছে। আজ বাড়িতেও তাড়াতাড়ি ফিরতে হবে, আগামীকাল আমার নিজের ভ্যাকসিনের শেষ ডোজ নেওয়ার দিন।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS





