কোনো পণ্য কেনার কথা ভাবলেই অনলাইনে সেই পণ্যের বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে কেন?
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
কখনো কি এমন হয়েছে, আপনি বন্ধুর সঙ্গে বসে একটি নতুন মুঠোফোন কেনার কথা বলছেন। হয়তো বলছেন, এবার এমন একটি ফোন কিনবেন, যার ক্যামেরা ভালো, ব্যাটারি দীর্ঘ সময় চলবে এবং দেখতে সুন্দর হবে। কথাবার্তা শেষ করে কিছুক্ষণ পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলেন। হঠাৎ দেখলেন, আপনার সামনে ঠিক সেই ধরনের মুঠোফোনের বিজ্ঞাপন চলে এসেছে। শুধু একবার নয়, পরবর্তী কয়েক দিনও একই পণ্যের বিজ্ঞাপন বারবার চোখে পড়ছে। তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে, আমি তো শুধু পণ্যটি কেনার কথা বলেছি, ইন্টারনেট কীভাবে তা জেনে গেল? আমার ব্যক্তিগত কথাবার্তাও কি কেউ শুনছে? নাকি এটি নিছক কাকতালীয় ঘটনা?এমন অভিজ্ঞতা এখন অনেকেরই হয়। কেউ নতুন জুতা কেনার কথা ভাবলেই জুতার বিজ্ঞাপন দেখতে পান, কেউ ভ্রমণের পরিকল্পনা করলেই হোটেল ও বিমানের টিকিটের বিজ্ঞাপন দেখতে শুরু করেন। আবার কেউ কোনো নির্দিষ্ট পণ্য সম্পর্কে অনলাইনে একবার খোঁজ নেওয়ার পর দেখেন, সেই পণ্যটি যেন ইন্টারনেটের সর্বত্র হাজির। বিষয়টি কখনো অবাক করে, কখনো অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। কিন্তু এর পেছনে এমন কিছু প্রযুক্তিগত ও মনস্তাত্ত্বিক কারণ রয়েছে, যেগুলো বুঝতে পারলে ঘটনাটিকে আর অতটা রহস্যময় মনে হবে না।প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার। প্রতিবার কোনো পণ্য কেনার কথা বলার পর সেই পণ্যের বিজ্ঞাপন দেখা মানেই আপনার মুঠোফোন কথাবার্তা শুনছে, এমন নয়। সাধারণত বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের তথ্য, অনলাইন কার্যকলাপ, আগ্রহের ধরন এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের ব্যবহৃত প্রযুক্তি ভূমিকা রাখে। তবে কোনো নির্দিষ্ট বিজ্ঞাপন কেন আপনার সামনে এসেছে, তার সঠিক কারণ সব সময় বাইরে থেকে বোঝা সম্ভব নয়।প্রথম কারণ হলো, আমরা ইন্টারনেটে নিজেদের সম্পর্কে অনেক তথ্য রেখে যাই, অনেক সময় তা বুঝতেও পারি না।ধরুন, আপনি নতুন একটি ল্যাপটপ কিনতে চান। কেনার আগে গুগলে কয়েকটি ল্যাপটপের দাম দেখলেন, একটি প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে বিভিন্ন মডেলের তুলনা পড়লেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি ল্যাপটপের ভিডিও দেখলেন। আপনি হয়তো ভাবলেন, এগুলো তো সাধারণ কাজ। কিন্তু বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও বিজ্ঞাপনব্যবস্থা তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে আপনার এই কার্যকলাপের কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, যদি সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থায় তা অনুমোদিত থাকে। পরে বিজ্ঞাপনদাতারা সেই তথ্যের ভিত্তিতে আপনাকে ল্যাপটপের বিজ্ঞাপন দেখাতে পারে।এখানে কুকি, বিজ্ঞাপন শনাক্তকারী এবং বিভিন্ন ধরনের অনুসরণপ্রযুক্তি ভূমিকা রাখতে পারে। সহজভাবে বললে, এগুলোর কিছু ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং কার্যকলাপ বা আগ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য মনে রাখতে কিংবা বিভিন্ন সেবায় বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে সব কুকি একই কাজ করে না, আর সব ওয়েবসাইটও একইভাবে তথ্য সংগ্রহ করে না। গোপনীয়তার নিয়ম, ব্যবহারকারীর অনুমতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নীতির ওপর তথ্য ব্যবহারের ধরন নির্ভর করে।দ্বিতীয় কারণ হলো, বিজ্ঞাপনব্যবস্থা আপনার আগ্রহ অনুমান করতে পারে।অনলাইনে আমরা কী দেখি, কোন ধরনের বিষয়বস্তুতে বেশি সময় কাটাই, কোন পণ্যে আগ্রহ দেখাই কিংবা কী ধরনের বিজ্ঞাপনে প্রতিক্রিয়া জানাই—এসব সংকেত থেকে বিজ্ঞাপনব্যবস্থা আমাদের সম্ভাব্য আগ্রহ সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারে। এই ধারণা সব সময় সঠিক হয় না, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য যথেষ্ট হতে পারে।উদাহরণ হিসেবে ধরুন, আপনি কয়েক দিন ধরে ভ্রমণবিষয়ক ভিডিও দেখছেন। আপনি এখনই কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা না করলেও বিজ্ঞাপনব্যবস্থা আপনাকে ভ্রমণে আগ্রহী ব্যক্তি হিসেবে অনুমান করতে পারে। ফলে আপনার সামনে হোটেল, ভ্রমণসামগ্রী কিংবা বিমানের টিকিটের বিজ্ঞাপন আসতে পারে।এমনকি আপনি কোনো পণ্য সম্পর্কে সরাসরি অনুসন্ধান না করলেও আপনার আগ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়বস্তু দেখার কারণে সেই পণ্যের বিজ্ঞাপন দেখতে পারেন। অর্থাৎ, প্রযুক্তি সব সময় আপনার মনের কথা জানে না; বরং আপনার বিভিন্ন আচরণ থেকে সম্ভাব্য আগ্রহ অনুমান করে।তৃতীয় কারণ হলো, একই ধরনের আগ্রহের মানুষদের কাছে একই ধরনের বিজ্ঞাপন পৌঁছানো।ধরুন, আপনি এবং আপনার কয়েকজন বন্ধু নতুন একটি স্মার্টঘড়ি নিয়ে আলোচনা করছেন। আপনারা একই বয়সের হতে পারেন, একই ধরনের প্রযুক্তিবিষয়ক ভিডিও দেখতে পারেন অথবা একই অঞ্চলে বসবাস করতে পারেন। বিজ্ঞাপনদাতারা বিভিন্ন অনুমান ও শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তিতে আপনাদের মতো মানুষের কাছে একই পণ্যের বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে পারে।এখানে আপনার বন্ধু পণ্যটি সম্পর্কে অনলাইনে অনুসন্ধান করেছেন, আর আপনি করেননি—এমনও হতে পারে। তবুও একই ধরনের আগ্রহ বা বিজ্ঞাপনের লক্ষ্যগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে আপনার সামনে বিজ্ঞাপনটি আসতে পারে। আবার কোনো বন্ধু আপনাকে পণ্যের একটি লিংক পাঠালে এবং আপনি সেটি খুললে, সেই কার্যকলাপও কিছু বিজ্ঞাপনব্যবস্থার কাছে প্রাসঙ্গিক সংকেত হয়ে উঠতে পারে।তবে মনে রাখা দরকার, সব প্রতিষ্ঠান একই তথ্য ব্যবহার করে না। কোন তথ্য কীভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে, তা সংশ্লিষ্ট সেবার প্রযুক্তি ও গোপনীয়তার নীতির ওপর নির্ভর করে।চতুর্থ কারণটি প্রযুক্তির চেয়ে আমাদের মস্তিষ্কের সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত।আপনি কি কখনো নতুন কোনো শব্দ শেখার পর মনে করেছেন, শব্দটি হঠাৎ চারপাশে অনেক বেশি শুনতে পাচ্ছেন? কিংবা নতুন কোনো গাড়ির মডেল সম্পর্কে জানার পর রাস্তায় সেই গাড়িটি আগের চেয়ে বেশি চোখে পড়ছে? বাস্তবে গাড়িটির সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যায়নি। বরং বিষয়টি সম্পর্কে আপনার মনোযোগ বেড়েছে।মনোবিজ্ঞানে এর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ধারণা হলো নির্বাচনী মনোযোগ। আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত অসংখ্য তথ্য আসে। সবকিছুর দিকে সমান মনোযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। তাই আমাদের মস্তিষ্ক গুরুত্বপূর্ণ বা আগ্রহের বিষয়গুলোকে তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব দেয়।ধরুন, গতকাল পর্যন্ত আপনি একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের জুতার বিজ্ঞাপন দেখেছেন, কিন্তু তেমন গুরুত্ব দেননি। আজ আপনি ঠিক সেই ধরনের জুতা কেনার সিদ্ধান্ত নিলেন। এখন বিজ্ঞাপনটি দেখামাত্রই আপনার চোখ আটকে যাচ্ছে। বিজ্ঞাপনটি আগে থেকেই আপনার সামনে আসতে পারে, কিন্তু আপনি সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে লক্ষ্য করেননি। কেনার কথা ভাবার পর সেটিই আপনার কাছে বেশি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।এ কারণে অনেক সময় মনে হয়, পণ্যটি কেনার কথা বলার পর থেকেই বিজ্ঞাপন আসা শুরু হয়েছে। বাস্তবে বিজ্ঞাপন আগে থেকেই আসছিল কি না, তা আমরা সব সময় মনে রাখতে পারি না।পঞ্চম কারণ হলো, একই বিজ্ঞাপন বারবার দেখানোর কৌশল।অনেক বিজ্ঞাপনব্যবস্থায় পুনরায় বিজ্ঞাপন দেখানোর ব্যবস্থা থাকে। ধরুন, আপনি একটি অনলাইন দোকানে জুতা দেখলেন, কিন্তু কিনলেন না। পরে অন্য কোনো ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই জুতার বিজ্ঞাপন দেখতে পারেন। নির্দিষ্ট প্রযুক্তি ও অনুমতির ভিত্তিতে একে পুনর্লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন দেখানো বলা হয়।এই পদ্ধতিতে বিজ্ঞাপনদাতা এমন ব্যক্তিদের কাছে আবার বিজ্ঞাপন পৌঁছানোর চেষ্টা করেন, যাঁরা আগে কোনো পণ্য বা ওয়েবসাইটে আগ্রহ দেখিয়েছেন। এর ফলে পণ্যটি বারবার চোখে পড়ে এবং আপনার মনে হতে পারে, ইন্টারনেট যেন আপনাকে পণ্যটি কিনতে বাধ্য করতে চাইছে।
বিজ্ঞাপনদাতাদের উদ্দেশ্য সাধারণত পণ্য সম্পর্কে আগ্রহ তৈরি করা এবং বিক্রির সম্ভাবনা বাড়ানো। কিন্তু ব্যবহারকারীর কাছে এই পুনরাবৃত্তি কখনো সহায়ক, আবার কখনো বিরক্তিকর মনে হতে পারে।
এবার আসা যাক সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নটিতে—মুঠোফোন কি আমাদের কথাবার্তা শুনে বিজ্ঞাপন দেখায়?অনেকেই মনে করেন, তাঁরা মুখে কোনো পণ্যের নাম বলার পরই সেই পণ্যের বিজ্ঞাপন দেখেছেন। অভিজ্ঞতাটি বাস্তব মনে হলেও শুধু এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলা যায় না যে মুঠোফোনের মাইক্রোফোন কথোপকথন শুনে বিজ্ঞাপন দেখিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে আগে করা অনুসন্ধান, অনলাইন কার্যকলাপ, অনুমানভিত্তিক বিজ্ঞাপন, অন্য কোনো প্রাসঙ্গিক সংকেত এবং নির্বাচনী মনোযোগ দিয়ে ঘটনাটি ব্যাখ্যা করা সম্ভব।তবে এর অর্থ এই নয় যে প্রযুক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। কোনো অ্যাপ মাইক্রোফোন ব্যবহারের অনুমতি চাইলে সেটি কেন চাইছে, তা বোঝা উচিত। অপ্রয়োজনীয় অনুমতি বন্ধ রাখা এবং ফোনের গোপনীয়তা সেটিংস পরীক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ। কোনো অ্যাপ কী তথ্য সংগ্রহ করে, তা তার নীতি ও অনুমতির মাধ্যমে যতটা সম্ভব যাচাই করা উচিত।
আরেকটি বিষয় হলো, বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য আমাদের সম্পর্কে নিখুঁত তথ্য জানার প্রয়োজন হয় না। বিজ্ঞাপনব্যবস্থা অনেক সময় অনুমানের ভিত্তিতেই কাজ করে। আপনার আগ্রহের সঙ্গে কোনো পণ্যের সম্পর্ক আছে বলে মনে হলেই বিজ্ঞাপনটি দেখানো হতে পারে। অনুমানটি ভুল হলেও বিজ্ঞাপনটি আপনার সামনে চলে আসতে পারে।তাহলে নিজের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষায় কী করা যেতে পারে? প্রথমত, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের অনুমতি বন্ধ রাখুন। দ্বিতীয়ত, ব্রাউজারের গোপনীয়তা সেটিংস পরীক্ষা করুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কুকি নিয়ন্ত্রণ করুন। তৃতীয়ত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিজ্ঞাপনসেবার ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপনসংক্রান্ত সেটিংস দেখে নিন। চতুর্থত, অচেনা ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার আগে সতর্ক থাকুন। আর কোনো বিজ্ঞাপন দেখেই সেটিকে নিজের প্রয়োজনের প্রমাণ মনে করবেন না। বিজ্ঞাপন দেখানোর অর্থ এই নয় যে পণ্যটি আপনার সত্যিই দরকার।
সবশেষে বলা যায়, অনলাইনে কোনো পণ্য কেনার কথা ভাবার পর সেই পণ্যের বিজ্ঞাপন বারবার চোখে পড়ার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। প্রযুক্তি আমাদের অনলাইন আচরণ থেকে আগ্রহ অনুমান করতে পারে, বিজ্ঞাপনদাতারা সেই আগ্রহ অনুযায়ী বিজ্ঞাপন দেখাতে পারে, আর আমাদের মস্তিষ্কও পরিচিত বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে পারে। কখনো এসব কারণ একসঙ্গে কাজ করে ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তোলে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রযুক্তি আমাদের সম্পর্কে অনেক কিছু অনুমান করতে পারলেও আমাদের প্রতিটি চিন্তা পড়তে পারে—এমন ধারণা করা ঠিক নয়।আবার নিজের ব্যক্তিগত তথ্য কোথায়, কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, সে সম্পর্কে সচেতন থাকাও জরুরি।আজকের পৃথিবীতে বিজ্ঞাপন শুধু পণ্য দেখানোর মাধ্যম নয়; এটি মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করারও একটি প্রতিযোগিতা। তাই কোনো বিজ্ঞাপন বারবার সামনে এলে একটু থামুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন, পণ্যটি কি সত্যিই আমার প্রয়োজন, নাকি বারবার চোখে পড়ার কারণে আমার কেনার ইচ্ছা তৈরি হচ্ছে? এই ছোট প্রশ্নটিই অনেক অপ্রয়োজনীয় খরচ থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে।কারণ শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞাপন আপনার সামনে কী আসবে, তার কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে; কিন্তু কোন পণ্য কিনবেন, কত টাকা খরচ করবেন এবং নিজের ব্যক্তিগত তথ্য কতটা শেয়ার করবেন—সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আপনার হাতেই থাকা উচিত।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।


| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness

OR


This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community