বন্ধ ঘরের ভেতরের শব্দ ( পর্ব ১৯ )
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে "বন্ধ ঘরের ভেতরের শব্দ" গল্পের ১৯ তম পর্ব শেয়ার করে নেবো। এরপর ঈশান পড়তে শুরু করল। প্রথম কয়েক পাতা ছিল বাড়ির খরচের হিসাব। তারপর হঠাৎ লেখার ধরণ বদলে গেল। আজ আবার শব্দ শুরু হয়েছে। প্রথমে মনে হল ইঁদুর, কিন্তু ইঁদুর কখনও মানুষের নাম ধরে ডাকে না। আরেক পাতায়- আজ রাতে দরজার নিচ দিয়ে ছোট্ট একটা হাত বেরিয়ে এসেছিল। হাতটা শিশুর, কিন্তু হাতের আঙুল ছয়টি। ঈশানের শরীর কেঁপে উঠল। আরও পড়তে লাগল। যে-ই ওদের ডাকে সাড়া দেয়, সে ধীরে ধীরে নিজের কণ্ঠস্বর হারিয়ে ফেলে। শেষে তার গলায় অন্য কেউ কথা বলে। ঠিক তখনই পিছনে যেন কারও নিঃশ্বাসের শব্দ।
ঈশান চমকে ঘুরে দাঁড়াল। কিন্তু কেউ নেই।লাইব্রেরি খালি, সে আবার বইয়ের দিকে তাকাল।হঠাৎ খেয়াল করল- ডায়েরির শেষ পাতাটা ছেঁড়া।যেন ইচ্ছে করে কেউ খুলে নিয়ে গেছে। সন্ধ্যার আগে হরিদা তাকে নিয়ে গেলেন বাড়ির উত্তর দিকের উঠোনে। সেখানে একটা পুরোনো কুয়ো, অনেক বছর ব্যবহার হয় না। কুয়োর চারপাশে শ্যাওলা। এরপর হরিদা বললেন- এখানে দাঁড়াও।ঈশান দাঁড়াল, এবার নিচে তাকাও। সে কুয়োর ভেতর তাকাল- অন্ধকার, জল অনেক নিচে।নিজের অস্পষ্ট প্রতিবিম্ব দেখা যাচ্ছে। হঠাৎ প্রতিবিম্বটা বদলে গেল। সে নিজের মুখের বদলে দেখল- একটা ছোট মেয়ে, সাদা ফ্রক এবং হাতে সেই পুতুল।.....
