নিজের যত্ন নেওয়া ভুলে যাওয়া উচিত নয়!
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আমরা প্রতিদিন জীবনের নানা দায়িত্বে এতোটাই ব্যস্ত হয়ে পরি যে নিজের যত্ন নেওয়ার কথা ভুলে যাই। পড়াশোনা কাজ পরিবার বা অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে করতে একসময় বুঝতেই পারি না আমরা নিজের জন্য কিছু করছি কি না।অথচ একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না নিজের যত্ন নেওয়া কোনো বিলাসিতা নয়,এটা প্রয়োজন একেবারে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য।
আসলে আমরা অনেক সময় ভাবি যে নিজের যত্ন মানে হয়তো বাইরে ঘুরতে যাওয়া দামি কিছু কেনা বা আরাম করা। কিন্তু আসলে নিজের যত্ন মানে হলো নিজেকে একটু সময় দেওয়া। যেমন ক্লান্ত লাগলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া,মনের কথা কারো সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া বা এমন কিছু করা যা মনকে শান্তি দেয়। ছোট্ট একটা কফির কাপ হাতে বসে থাকা প্রিয় গান শোনা বা বই পড়াও হতে পারে নিজের যত্নেরই অংশ।আমরা যখন সবকিছুতেই অন্যদের সুখ, অন্যদের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিই।তখন অজান্তেই নিজের মানসিক শান্তিটাকে অবহেলা করি। অথচ মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ না থাকলে কাউকেই ঠিকভাবে ভালোবাসা বা সহায়তা করা যায় না। নিজের যত্ন মানে স্বার্থপর হওয়া নয়।সে সাথে নিজেকে সুস্থ রাখা যাতে অন্যদের প্রতিও ঠিকভাবে যত্ন নিতে পারি।
জীবনে যে যত বড় দায়িত্বই নিক না কেনক দিন শেষে নিজের সঙ্গে একটা সময় কাটানো খুব দরকার। কারণ নিজের মনের কথা শুনতে না পারলে একসময় ভেতরটা ক্লান্ত হয়ে যায়,বিরক্তি জমে,মনোযোগ হারিয়ে ফেলে।তাই মাঝে মাঝে সবকিছু থেকে একটু দূরে গিয়ে নিজের কাছে ফিরে আসা দরকার।নিজের যত্ন নেওয়া মানে শুধু শরীরের নয় মনেরও যত্ন নেওয়া। আর যখন আমরা নিজের প্রতি একটু ভালোবাসা দেখাতে শিখি।তখন জীবনটাও ধীরে ধীরে সুন্দর হতে শুরু করে। তাই যতো কাজই থাকুক, যতো দায়িত্বই থাকুক।নিজের যত্ন নিতে ভুলে যাওয়া কখনোই উচিত নয়। কারণ নিজের ভালো থাকা মানেই জীবনের ভারসাম্য ধরে রাখা।

